চলছে ইকরা বাংলাদেশ স্কুল, প্রশিক্ষণ কর্মশালা
পাথেয় রিপোর্ট : সারা বাংলাদেশ থেকে আগত ইকরা বাংলাদেশ স্কুলের শিক্ষকদের নিয়ে ইকরা বাংলাদেশ স্কুল কেন্দ্রীয় শাখায় চলছে শিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা ২০১৯। বুধবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় ইকরা বাংলাদেশ স্কুল অডিটোরিয়ামে শুরু হয়েছে এই কর্মশালা।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কালামুল্লাহর পাক থেকে তেলাওয়াত করেন ইকরা বাংলাদেশ ঢাকা শাখার শিক্ষক মাওলানা হাফেজ আহমেদ মারুফ। ইকরা বাংলাদেশ হবিগঞ্জ শাখার প্রিন্সিপাল মাওলানা মাসউদুল কাদিরের পরিচালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইকরা বাংলাদেশ স্কুল কেন্দ্রীয় পরিচালক ও সমন্বয়কারী হযরত মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন।
মাওলানা মাকনুন তার সূচনা বক্তব্যে বলেন, প্রথমেই আপনাদের শুকরিয়া আদায় করছি সারাদেশ থেকে আপনারা এখানে এসেছেন। কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন।
তিনি বলেন, একজন ছাত্র প্রধাণত তিনজন মানুষ দিয়ে প্রভাবিত হয়। তার মা, বাবা অথবা শিক্ষক দ্বারা। এখন কথা হচ্ছে যে ছাত্র যাদের দ্বারা প্রভাবিত হবেন সর্বপ্রথম তাদের পরিশুদ্ধ হতে হবে। তারাই যদি সত্যবাদি না হন, পরিচ্ছন্ন না হন তাহলে সে ছাত্র কি শিখবে। তাই আমরা কখনোই আমাদের ছাত্রদের সঙ্গে মিথ্যা বলবো না। মিথ্যা তো বলবোনা বরং কখনো মিথ্যার তাবীলও করবো না ইনশাআল্লাহ।
এসময় শিক্ষার্থীদের চারিত্রিক উন্নতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, পড়াশোনা তো কোন না কেনাভাবে একজন ছাত্রের হয়ে যাবে কিন্তু যদি কোন ছাত্রের চারিত্রিক উন্নতি না হয় তাহলে এই পড়াশোনা করায় কি লাভ! আমরা বিভিন্ন শাখা পরিদর্শন করে দেখেছি এ বিষয়গুলো। আপনারা সবাই এসব বিষয়গুলোর যথাযথ নজর রাখবেন এবং এ বিষয়ের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব রাখবেন।
এসময় তিনি আরো বলেন, বর্তমান পৃথিবীতে একজন সৎ, আদর্শবান মানুষের সবচেয়ে বেশী অভাব। মানুষ অনেক শিক্ষিত হয়ে গেল অথচ তার কোন চারিত্রিক শুদ্বত্ব ও তার ভেতর সততা নেই। তাহলে সে মানুষ দ্বারা সমাজের, মানুষের, পৃথিবীর বিশেষ কোন উপকার হবে না।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসসালামই আমাদের জীবনদার্শ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা নিজেরা রাসূলের আদর্শকে আমাদের জীবনে সব ক্ষেত্রে লালন করেবা এবং আমাদের শিক্ষার্থীদের এই আদর্শের প্রতি মনোযোগী করে তুলবো। এই মানুষের জীবনাদর্শের মধ্যেই রয়েছে সফলতা। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে রাসূলের জীবনে আমাদের জীবনকে পরিচালনা করার তাওফিক দিন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নাসির উদ্দীন, মাওলানা গিয়াস উদ্দীন প্রমুখ।


