এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন, আনন্দের বন্যা মুন্সীগঞ্জে, মিষ্টি বিতরণ

এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন, আনন্দের বন্যা মুন্সীগঞ্জে, মিষ্টি বিতরণ

এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন, আনন্দের বন্যা মুন্সীগঞ্জে, মিষ্টি বিতরণ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জয়গান কার না ভালো লাগে। দেশে নতুন এই এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুন্সিগঞ্জে আনন্দের বাঁধ ভাঙা আনন্দ এসে যোগ হলো দেশের মানুষের হৃদয়ে। মুন্সিগঞ্জ নতুন দীপ্তি যেনো ছড়ালো। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বেলা ১১টা ২ মিনিটে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এদিকে দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধনে আনন্দে ভাসছে মুন্সীগঞ্জবাসী। উন্নয়ন কাজের জন্য দীর্ঘদিন ধরে ধুলোবালি আর এব্রোথেব্রো রাস্তায় চলতে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে এ জেলার মানুষকে। শিক্ষার্থীদের স্কুল-কলেজে যেতেও পোহাতে হয়েছে দুর্ভোগ। তারপরও মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান, শ্রীনগর ও লৌহজং উপজেলার ওপর দিয়ে চলে যাওয়া এ তিনটি উপজেলাসহ মুন্সীগঞ্জবাসীর মধ্যে এখন আনন্দের শেষ নেই। আনন্দ ভাগাভাগি করতে জেলার বিভিন্ন স্থানে মিষ্টি বিতরণ করা হয়েছে।

সিরাজদিখান উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মইনুল হাসান নাহিদ বলেন, এ রাস্তার জন্য দীর্ঘদিন ধরে আমাদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। নির্মাণ কাজের জন্য রাস্তায় চলতে দুর্ভোগের জেনো শেষ ছিলনা। ধুলোবালিতে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী আমদের এত সুন্দর একটা রাস্তা উপহার দেবেন তা এলাকাবাসীর কল্পনায়ও ছিল না।

শ্রীনগর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আরিফ হোসেন বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনে আমাকে প্রায় প্রতিদিনই এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতো হয়। গত দেড় বছর ধরে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে রাস্তার উন্নয়ন কাজের জন। একটা প্রবাদ আছে ‘মেঘ দেখে কেউ করিসনে ভয়, আড়ালে তার সূর্ষ হাসে’। ঠিক আমি বা এ এলাকার মানুষের ক্ষেতেও তাই হয়েছে। এখন দেশের সব চেয়ে সুন্দর এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পেরে আনন্দ অনুভব করছি।

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ের মেদিনী মণ্ডল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আশরাফ হোসেন খান বলেন, দেশের সবচেয়ে সুন্দর ও প্রথম এক্সপ্রেসওয়ের ঢাকা-মাওয়া অংশের শেষ প্রান্ত ও পদ্মা সেতুর গোড়ায় ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। দীর্ঘদিন এ অঞ্চলের মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হলেও এখন এর সুফল আমরা পাচ্ছি। আগে দেড় দুই ঘণ্টা লাগতো মাওয়া থেকে ঢাকায় পৌঁছতে। এখন মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যেই আমরা ঢাকায় পৌঁছে যাচ্ছি। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে এক্সপ্রেসওয়ে হওয়ায় এ সড়কের কোথাও এখন আর যানজট বা অন্য কোনো কারণে আটকে থাকতে হবে না। বিরামহীনভাবেই গাড়িগুলো অতি অল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছে যাবে।

আশরাফ হোসেন বলেন, রাস্তার পাশের বিভিন্ন বাজারের ওপর দিয়ে ওভার পাশ করে দেওয়ায় গাড়িগুলো ওভারপাস দিয়ে চলাচলের করণে বাজারের সামনের যানজটে পড়তে হবে না। তাছাড়া এ ওভারপাসগুলো রাস্তার সৌন্দর্য আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। একমাত্র বঙ্গবন্ধুর কন্যা বলেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে এটি করা সম্ভব হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *