পাথেয় রিপোর্ট : বনানীর এফআর টাওয়ার নির্মাণে দুর্নীতির অভিযোগে ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রনব কুমার ভট্টাচার্য।
মঙ্গলবার দুপুরে দুদকের ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (সজেকা) দুদকের উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিকি বাদী হয়ে দুটি মামলা করেন।
মামলায় আসামি করা হয়েছে রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ূন খাদিম, এফআর টাওয়ারের মালিক এসএম ফারুক, রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী মুকুলসহ ২৫ জনকে।
দুপুরে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রনব কুমার ভট্টাচার্য বলেন, বনানীর এফআর টাওয়ার ১৫ তলা থেকে অবৈধভাবে ২৩ তলা বিশিষ্ট ভবনটি গড়ে তোলা হয়েছে। এছাড়া, ভবনটি নির্মাণে নকশার অনুমোদনও মানা হয়নি। নেই ফায়ার সার্ভিস, পরিবেশ অধিদফতর ও সিভিল অ্যাভিয়েশনের অনুমোদন। ১৮ থেকে ২৩ তলা নির্মাণের কোনো তথ্যই নেই রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কাছে।
মামলার প্রধান আসামি জমির ইজারাদার হোসাইন ঈমাম ফারুক, রূপায়ন হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুল। এছাড়া রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদিম, রাজউকের সাবেক প্রধান প্রকৌশলী সাইদুর রহমান, রাজউকের সাবেক অথোরাইজড অফিসার-২ সৈয়দ মকবুল আহমেদসহ ২৩ জনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে।
এদিকে এফআর টাওয়ারে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় বনানী পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই মিল্টন দত্ত বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। সেই মামলায় আসামিরা হলেন- ভবনের বর্ধিত অংশের মালিক তাসভির উল ইসলাম, জমির মালিক প্রকৌশলী এস এম এইচ আই ফারুক ও রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান। এছাড়া এফআর টাওয়ারের ব্যবস্থাপনা কমিটির নেতাসহ অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
২৩ জুন রূপায়ন গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান ওরফে মুকুল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পান। রবিবার দুপুরে ঢাকা সিএমএম আদালতে আত্মসমর্পণ ও জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে ২০ হাজার টাকা বন্ডে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করে আদালত। পুলিশের করা এই মামলার মূল আসামিরা সবাই জামিন আছেন।


