নিজস্ব প্রতিবেদক : অর্থ পাচারের অভিযোগ তদন্তে এবি ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হককে সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তারা। সেগুন বাগিচায় দুদক কার্যালয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার তার সঙ্গে ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম ফজলার রহমানকেও একই সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
জিজ্ঞাসাবাদের পর ওয়াহিদুল হক সাংবাদিকদের বলেন, অর্থ পাচারের কোনো ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িত নন।
ফজলার বলেছেন, তার যা বলার তা দুদক কর্মকর্তাদের বলে এসেছেন।
পরস্পর যোগসাজশে সিঙ্গাপুরে একটি অফশোর প্রতিষ্ঠান সৃষ্টি করে ১৬৫ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগের তদন্তে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।
দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়।
কমিশনের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেন ও সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন বলে দুদকের উপপরিচালক প্রনব কুমার ভট্টাচার্য্য জানিয়েছেন।
জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকাল সাড়ে ৪টায় বেরিয়ে আসেন ওয়াহিদুল হক।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যা বলার আমি ওখানে (দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা) বলেছি, আমি অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িত নই।
বিকাল ৫টায় জিজ্ঞাসাবাদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে আসেন ফজলার রহমান।
তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেন, আমাদের যা বলার বলে দিয়েছি, আমাদের ব্যাখ্যাই আমরা দিয়ে গেছি, ওনারা (তদন্ত কর্মকর্তা) তারপর দেখবেন। ব্যাংক থেকে সব ইনফরমেশন তাদের দেওয়া আছে।
আগামী ৩১ ডিসেম্বর ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম আহমেদ চৌধুরী ও হেড অব ফাইন্যানসিয়াল ইনস্টিটিউট অ্যান্ড ট্রেজারি আবু হেনা মোস্তফা কামালকে জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা রয়েছে।
এরপর ২ জানুয়ারি ব্যাংকটির আরও পাঁচ কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রনব কুমার।
তারা হলেন- হেড অব কর্পোরেট মাহফুজ উল ইসলাম, হেড অব অফশোর ব্যাংকিং ইউনিট (ওবিইউ) মোহাম্মদ লোকমান, ওবিইউ এর কর্মকর্তা মো. আরিফ নেয়াজ, ব্যাংক কোম্পানি সেক্রেটারি মাহদেব সরকার সুমন এবং প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা এম এন আজিম।


