পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পবিত্র ওমরাহ পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জানা যায় শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার ওমরাহ পালন করেছেন। চারদিনের এক সরকারি সফরে বর্তমানে তিনি সৌদি আরবে রয়েছেন।
চারদিনের এক সরকারি সফরে বর্তমানে সৌদি আরবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নবীজী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওযা মোবারক জিয়ারত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার রাতে মদীনার মসজিদে নববীতে যান, সেখানে হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পবিত্র রওযা মোবারক জিয়ারত করেন। প্রধানমন্ত্রী মসজিদে নববীতে এশার নামাজ আদায় করেন এবং বাংলাদেশের জনগণের পাশাপাশি সমগ্র মুসলিম উম্মাহর অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ মোনাজাত করেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে পবিত্র কা’বা শরিফ ‘তাওয়াফ’ করেন এবং পরে তিনি সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সায়ি করেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশের জনগণের পাশাপাশি সমগ্র মুসলিম উম্মাহ’র অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আল্লাহর কাছে দুআ করেন।
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত উন্নয়ন বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকা সদস্যরাও ওমরাহ পালন করেছেন বলে জানা যায়। এরআগে প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটের দিকে সড়ক পথে জেদ্দা থেকে পবিত্র মক্কা নগরীতে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রী বুধবার পবিত্র মদিনায় মসজিদ–ই–নববীতে মহানবী হযরত মোহম্মাদ (সা.) এর রওজা মুবারক জিয়ারতের পর জেদ্দায় বাদশাহ আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। শেখ হাসিনা সৌদি বাদশাহ এবং দু’টি পবিত্র মসজিদের খাদেম সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সউদের আমন্ত্রণে মঙ্গলবার সৌদি আরবে পৌঁছান। আজ রাতে প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরবেন বলে জানা যায়।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কনস্যুলেট ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকালে বলেন প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা চাকরি নিয়ে বিদেশে যেতে ইচ্ছুক সরকার তাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছে। এই প্রশিক্ষণ তাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় বিদেশে অবস্থানকালে তারা অত্যাচার–নির্যাতনের শিকার হন। অনেক মানুষ যথাযথ প্রশিক্ষণ না থাকায় বিপদের শিকার হন। এটা খুবই দুঃখজনক এবং যাতে কেউ এ কাজ না করে সে ব্যাপারে মনোযোগ দেয়া দরকার। তিনি বলেন, বৈদেশিক অর্থের বড় অংশই আসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সে। আমাদের দূতাবাস ও মিশনগুলো তাদের অর্থেই পরিচালিত হয়। তাই আমি চাই প্রবাসী কল্যাণ তহবিল তাদের কল্যাণেই ব্যবহৃত হোক। প্রবাসীদের সন্তানদের জন্য স্কুল প্রতিষ্ঠায় এই তহবিল ব্যবহৃত হবে এবং সেই স্কুলগুলো এই তহবিল দিয়েই চলবে। কেননা প্রবাসীদের টাকা দিয়েই এই তহবিল গঠন করা হয়। আমাদের এটি মনে রাখতে হবে।


