ভাবনায় কওমী মাদরাসা
দাওরায়ে হাদীসের
সনদ কি ইসলামিক স্টাডিজের
সমমানের উপযুক্ত নয়?
কওমী মাদরাসা ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা৷ দেশের প্রাচীনতম শিক্ষা৷ বৃটিশের আগ্রাসনের আগে এই শিক্ষাই ছিলো মূলধারার শিক্ষা৷ উপমহাদেশে মোগল আমলে এই শিক্ষায় শিক্ষিতজনরা প্রাশাসন পরিচালনা করতেন৷ বিচারালয়ে বিচারক হতেন৷ বিচারপতি হতেন৷ সাদরুশ শরীয়া হতেন৷ দরসে নেজামি পড়ে দেশের প্রসাশন চালাতেন৷ তখন আদালতে ভাষা ছিলো আরবী৷ ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়া এর প্রমাণ৷ দাফতরকি ভাষা ছিলো ফার্সী৷ আমরা যখন কওমী মাদরাসার কথা বলবো মনে রাখতে হবে এটি অবিভক্ত ভারতের প্রাচীতম শিক্ষাধারা৷ দিল্লির মাদরাসায়ে রহিমিয়ার ইতিহাস বৃটিশের আগের ইতিহাস৷ মোল্লা নিজামৱদ্দীন সাহালবী রহ এর দরসের ইতিহাস বৃটিশের আগের ইতিহাস৷১৪৫৭ সালে বাংলা বিহার উড়িষ্যার স্বীধীনতার সূর্য অস্তমিত হওয়ার আগে এঅ দেশে মকতব মাদরাসা ছিলো আশি হাজার৷ বৃটিশরা তা ধবংস করেছে এবং তাদের লিখিত বইয়ে স্বীকার করেছে৷ ১৮৩৭ সালে বৃটিশরা উপমহাদেশে নতুন শিক্ষার আমদানি করে৷ লর্ড ম্যাকেলের শিক্ষা চালু হয়৷ বেনিয়া বৃটিশরা মাদরাসার জন্য. বরাদ্দ লাখেরাজ ভূমি বাতিল করে৷ বৃটিশরা দফতেরের ভাষা ফার্সীর বদলে চাপিয়ে দেয় ইংলিশ৷ বৃটিশচক্ররা আদালতের ভাষা ও আইন বাতিল করে চালু করে বৃটিশের ল৷ তখন মুসলমানদের শিক্ষা বিপর্যয়ের কবলে পড়ে৷ বন্ধ হয় হাজার হাজার মাদরাসা৷ রাতারাতি হাজার হাজার শিক্ষকদের জীবন হয় বিপন্ন৷ তখন উলামায়ে কেরাম দীর্ঘ সংগ্রাম করেন বৃটিশের বিরুদ্ধে৷ সংগ্রাম করেন মুসলিমদের স্বকীয়তা রক্ষা করতে৷ সরকারি মাদরাসাগুলো বৃটিশের কোপানলে পড়ে বন্ধ হয়৷ তখন দেশপ্রেমী সংগ্রামী মাওলানারা গড়ে তোলেন বেসরকারি মাদরাসা৷ গড়ে তোলেন দারুল উলুম দেওবন্দ৷ ১৮৬৬ সালে শুরু দেওবন্দের৷ দেওবন্দীধারায় মাদরাসা গড়ে উঠে উপমহাদেশের নানা প্রান্তে৷ সরকার যেহেতু স্থায়ী সম্পদ দখল করে মাদরাসার তাই কাসেম নানুতবীরা উসূল তৈয়ার করেন জনতার দানে চলবে মাদরাসা৷ গনচাঁদা৷ স্বেচ্ছায় দান৷ এটি জনতার সাথে গভীর সম্পর্কের একটি মাধ্যম৷ তাছাড়া দেওবন্দ শুধু মাদরাসা ছিলো না৷ এটি বেনিয়া ইংরেজদের হটানোর একটি দূর্গ ছিলো৷ ১৭৮০ সালে বৃটিশরা তাদের রাজকাজ পরিচালনার জন্য গড়ে তুলে কোলকাতা আলিয়া মাদরাসা৷ ২৭ জন প্রিন্সিপাল থাকে ইংরেজরাই৷ ২৮ তম প্রিন্সিপাল একজন মুসলিম৷
মুসলমানদের উন্নতির লক্ষে স্যার সৈয়দ আহমদ আলীগর বিশ্ববিদ্যায় গড়ে তুলেন৷ আপোস করেন বৃটিশের সাথে মুসলমানদের শিক্ষার স্বার্থে৷ কাসেম নানুতবী করেন দারুল উলুম দেওবন্দ যার চিন্তাধারায় ছিলো ইংরেজবিরোধীতা এবং দেশের স্বীধীনতার সংগ্রাম৷ আপোষহীন নেতা নানুতবী৷ এই দেওবন্দের প্রথম ছাত্র মাহমুদ হাসান৷ রহ৷ শায়খুল হিন্দ৷ বৃটিশরা তাঁকে আন্দামানে নির্বাসন দিয়েছে৷ তিনি অকোতভয় স্বাধীনতার সৈনিক৷ সেনাপতি৷ যার রক্তে ছিলো স্বাধীনতার বীজ৷ তাহলে বৃটিশরা কওমী মাদরাসার বিরোধীতা করবে এটাই স্বাভাবিক৷ এটাও স্বাভাবিক বৃটিশের মানসিক দাসরাও বিরোধীতা করবে মাদরাসা শিক্ষার৷ বৃটিশের গোলামরা স্বাধীনতার দূর্গ কওমী মাদরাসার প্রতি নানা মন্তব্য করবে এটাই স্বাভাবিক৷
এটি সেই ১৭৫৭ সাল থেকেই চলছে৷ ৯/১১- এ টুইনটাওয়ারের নাটকের পর নতুন আগ্রাসন৷ মিডিয়ায় মাদরাসার বিরুদ্ধে তথ্যসন্ত্রাস৷ পশ্চিমাদের নতুন ছক মাদরাসা নিয়ে৷ পশ্চমা সভ্যতার মাথাব্যথার কারন এখন কওমী মাদরাসা৷ ভারত পাকিস্থানে নানা চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে পশ্চমা শক্তি৷ কওমী মাদরাসা সেখানে সকল প্রকার সরকারি শিকল থেকে মুক্ত৷ কিছুদিন পূর্বে মোদি সরকার দেওবন্দে শতকোটি রুপি সরকারি বরাদ্দ দিতে চায় দেওবন্দকে৷ স্বাধীনতার দূর্গ দারুল উলুম দেওবন্দ তা সাহস ও বিনয়ের সাথে সেই বরাদ্দ নিতে অস্বীকার করে৷ কোনো প্রয়োজন নেই সরকারি বরাদ্দের৷
পাকিস্থানে পারভেজ মুশাররফ আপ্রান চেষ্টা করে মাদরাসাগুলো নিয়ন্ত্রন করার কিন্তু সকল চেষ্টা ব্যর্থ হয়৷
পশ্চিমাদের নজর পড় বাংলাদেশের কওমী মাদরাসার দিকে৷ এখনে কিছু আল্লামা সেই ফাঁদে পা দিচ্ছেন মনে হয়৷
জানিনা কেন ১৮৬৬ সালের ঐতিহ্য ভেঙ্গে সরকারি হবার কি দরকার? নানা নিয়মের বেড়াজালে পড়বে কওমী মাদরাসা৷
যাক বড়রা ভালো জানেন৷ বড়রা ভালো বোঝেন৷ বড়দের সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে চুপ থাকতে হয়৷ কিন্তু মিডিয়া কি চুপ থাকবে? না মিডিয়া কওমী মাদরাসার বিরুদ্ধে নানা মিথ্যা অভিযোগ করবে৷ নানা তথ্য সন্ত্রাস করবে৷ আল্লামাগনকে আগে থেকেই সেইসব কথার জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে৷ কোনো কোনো আল্লামা কওমীর নৌকা কোথায় নিয়ে যাবেন তা কি জানেন কি জানেন না তা আচরনে বোঝা যায় না৷ কিস্তি টুপি মাথায় দিয়ে কওমের কিস্তিকে ডুবাবেন এটি কি আল্লামার পরিচয়?
কওমী মাদরাসা কওমীর কিস্তি৷ এটি নিয়ে খেলা চলবে না৷ চলবে না রাজনীতির তেলেসমাতি৷
দুই
কওমী মাদরাসার বিরোধী আগেও ছিলো৷১৮৬৬ সালের পর বৃটিশরা উপমহাদেশে নানা ফেরকার জন্ম দিয়েছে৷ তাদের গর্ভে জন্ম নেওয়া কিছু সন্তান কওমী মাদরাসকে খারেজি বলে বিদ্রুপ করে৷ কেউ আবার ওহাবী বলে বদনাম ছড়ায়৷
কেউ আবার মৌলভী সাব, মোল্লা, মুনশী বলে বিদ্রুপ করে৷
কেউ আবার টুইনটাওয়ারের নাটকের পর জঙ্গি প্রজনন কেন্দ্র বলে৷ কেউ আবর বলে মৌলবাদী৷ মিডিয়া নতুন নতুন শব্দ আবিষ্কার করে৷ নিত্য নতুন৷ আগামী দশকে হয়তো আরও কিছু শব্দ বানানে মিডিয়া৷ তবে আমাদের দেশের মিডিয়া পশ্চিমা মিডিয়ার শব্দের অনুবাদ করে৷ সেই দেশে টেররিজম এই দেশে সন্ত্রাসী বা জঙ্গী৷ সেই দেশে ফান্ডাম্যান্টালিস্ট এই দেশে মৌলবাদী৷ অথচ কওমী মাদরাসা শত শত বছর থেকে সমাজে শান্তির পায়রা উড়াচ্ছে৷ হাজার বছরের ঐতিহ্য রয়েছে তাদের৷ রয়েছে প্রকৃত অসম্প্রদায়িক চেতনা৷ পরধর্মের প্রতি দাওয়াতি মনোভাব নিয়ে সন্দর আচরণ৷ কওমী মাদরাসার সম্পর্ক কওমের সাথে৷ এটি কওম থেকে বিচ্ছিন্ন নয়৷ কোনো কোনো বুদ্ধিজীবী কওমীর ইতিহাস না জেনে সন্দেহ করে কওমী মাদরাসা নিয়ে৷ কী পড়ানো হয় কী তাদের অবদান এটিতো দেশের লাখ লাখ মসজিদই স্বাক্ষী৷ আপনার পাশের ইমাম খতীবকে দেখুন তিনি তো কওমী মাদরাসার ফসল৷ মাঠের ইমাম খতীব তো কওমী মাদরাসার৷ আপনার বাসার কাছে হিফজখানা তো কওমী মাদরাসা৷ এইসব ওপেন৷ মুক্ত৷ সব সময় আপনাকে স্বাগতম৷
কওমী মাদরাসা ঐতিহ্যগতভাবে সরকারি সাহায্য থেকে দূরে থাকে তাদের স্বকীয়তা রক্ষায়৷ আজকের আলিয়ার মতো হবে যদি সরকারি সহযোগীতা গ্রহণ করে৷ তবে বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সরকার একটি স্বীকৃতি ঘোষণা করেছে কওমীর মুরব্বীগন শর্তসাপেক্ষে তা গ্রহণ করেছেন৷ সবাই মন থেকে নিয়েছেন তাও না৷
কিন্তু এই মান নেওয়ার পর শুরু হয়েছে টকশো মিডিয়ায়৷ বামপন্থীদের নানা কথা৷ সংবাদপত্রে নানা কথা৷ কলাম৷
যেহেতু মিডিয়ায় হাত নেই কওমীর তাই এক তরফা আলোচনা চলছে৷
তিন
কওমীর সিলেবাস সংস্কার করতে হবে যারা বলেন তাদের বলি সংস্কার কিন্তু জেনারেল শিক্ষারও প্রয়োজন৷
বৃটিশের চিন্তা থেকে বের হতে হবে৷ স্বাধীন দেশের শিক্ষা হবে স্বাধীন৷ কিন্তু বৃটিশের ছক থেকে কি বের হতে পেরেছে জেনারেল শিক্ষা? শিক্ষা কি আজ বাণিজ্য নয়?
এই শিক্ষা কি বেকার তৈয়ার করছে না?
কতটা বিজ্ঞানভিত্তিক এই শিক্ষা? জনাব জাফর ইকবালরাও শিক্ষা সংস্কারে নানা কলাম লিখেন৷ এটি ভালো৷
মাদরাসা শিক্ষার একটি ধারা সংস্কারের নামে তা আজ হাত পা কেটে স্কুল কলেজ বানানো হয়েছে৷ কেন?
সেটি তো ঐতিহ্যের শিক্ষা৷ সেই ১৭৮০ সাল থেকে শিক্ষা৷ মাদরাসা শিক্ষার পরিবেশ কি ইসলামী হতে হবে না?
সিলেবাসে কি কুরআনের হিফজ থাকবে না?
আলিয়া থেকে কি হাফেয হচ্ছে আজ? ভালো আলেম?
একবারে হচ্ছে না তা বলা যাবে না৷ কিন্তু একমুখী করার নামে আলিয়ার কি পরিনাম আমরা সবাই জানি৷
এখন কি কওমীর পালা?
কী সংস্কার করবেন? কী আধুনিকায়ন করবেন তা স্পষ্ট করলে ভালো৷
কুরআন হাদীসের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রয়োজনীয় সংস্কার সংযোজন বিয়োজন হয়েই আজকের কওমী মাদরাসা৷
কওমী মাদরাসার শিক্ষা চৌদ্দ শত বছরের ঐতিহ্যবাহী৷ এটি দেওবন্দ থেকে শুরু মনে করা ভুল চিন্তা৷ কুরআন ও হাদীস কি দেড়শত বছর আগের না সাড়ে চৌদ্দ শত বছর আগের?
কওমীর সনদের স্বীকৃতি দিয়ে যদি সরকার মনে করে সংস্কার করা হবে৷ আধুনিকায়ণ করা হবে৷ এটি কম বলা ভালো৷ কিতাব পত্র পড়ে কওমীর গভীরতা জেনে কথা বললে ভালো৷ কথায় কথায় সংস্কার বলা হাস্যকর হবে৷
কুরআন ও হাদীসের কি সংস্কার করা হবে?
উলমায়ে কেরাম প্রয়োজনীয় সংস্কারের কথা বলেন সেটি আরও যোগ্য আলেম বানানোর জন্য৷ এই সংস্কার সরকারের চাকুরে বানানোর জন্য নয়৷ প্রকৃত জ্ঞানী বানানোর জন্য৷
কওমী মাদরাসা আগেও দেশপ্রেমী৷ এখনও৷ আগামীতেও৷
কওম ছেড়ে কোথায় যাবে কওমী মাদরাসা?
কওম নিয়েই কওমী৷
চার
কওমীর দাওরায়ে হাদীসের সনদের সমমান দিয়েছে সরকার৷ সমমান ইসলামিক স্টাডিজ ও এ্যারাবিকে মাস্টার্স৷
এটির কি উপযুক্ত নয় কওমী মাদরাসা?
কওমীর তালেবে ইলমরা হাফেয৷ কুরআন হিফজ করেন সাধারণত৷ স্টাডিজে কি হিফজুল কুরআন আছে?
কওমীর তালেবে ইলম নাহু সরফ পড়ে৷ বালাগাত পড়ে৷ ফিকহ উসূলে ফিকহ পড়ে৷ তাফসীর উসূলে তাফসীর পড়ে৷ পড়ে আরবী সাহিত্য৷ প্রায় এক যুগ পড়ার পর সমাপনীতে পড়েন সিহাহ সিত্তা৷ হাদীসের ছয় কিতাব৷ প্রায় লাখের মতো হাদীস৷ পডেন মূল টেক্স৷ ইবারত৷ বিশুদ্ধ ইবারত৷ পড়েন দিনে রাতে৷ পরীক্ষার প্রশ্ন হয় আরবীতে৷ অনেকেই আরবীতে উত্তর দেন তালেবে ইলমরা৷
ভার্সিটিতে স্টাডিজ বা আরবী বিভাগে কি সিহাহ সিত্তা পুরো পড়ানো হয়?
কওমীর দাওরায়ে হাদীসের তালেবে ইলমরা কুরআনের অনুবাদ করতে পারেন৷ পুরো কুরআনের অনুবাদ৷ ভার্সটির সিলেবাসে কি পুরো কুরআনের তরজমা পড়ানো হয়?
ভার্সিটিতে গোছালো সিলেবাস সেটি জানি৷ পড়ান ডক্টরগন৷ আছে সেমিস্টার৷ আছে গবেষণা৷ আমি ছোট করে দেখছি না৷ যারা ভার্সিটিতে পড়েন অবশ্যই মেধাবী তাঁরা৷
কিন্তু কওমীর দাওরার সনদ কি স্টাডিজের সমমান নয়?
অবশ্যই এবং অবশ্যই৷
কিন্তু অনার্সের চার বছর কোথায় কওমীর?
সেটিও আছে৷
তাহলে ক্লাসের নাম বলি আমি
নূরানী
নাযেরা
হিফজ
ইবতেদায়ী
আওয়াল
দুয়ূম
ছুয়ূম
চাহারম
পানজম
মীযান
নাহবেমীর
হেদায়েতুন্নাহু
কাফিয়া
শরহে জামী
শরহে বেকায়া
হেদায়া
জালালাইন
মেশকাত
দাওরায়ে হাদীস৷
কিতাবের নামে ক্লাসের নামগুলো বললাম৷ মারহালা অনুযায়ীও আছে৷
আঠারো বছর হলো কি না?
হিফজ তিন বছর ধরলে তো একুশ বছর৷
তাখাসসুস ধরলে হবে তেইশ বছর৷
তাহলে এতো পড়ালেখা করেও কি দাওরায়ে হাদীসের সনদটি ইসলামির স্টাডিজের সমমান নয়?
হে কথিত সুন্নিরা,
হে কথিত সুশীলরা,
হে মিডিয়া
তোমরা ইনসাফের সাথে বিবেকের সাথে কথা বলো তো একটু৷
দারুল আমারিফের সিলেবাসটি দেশের সবচে গোছালো৷ সেই সিলেবাসটি মিডিয়াকে দেওয়া প্রয়োজন তাহলে দাওরায়ে হাদীসের সনদধারীরী কতটা আরবীতে যেগ্য হয় তা স্পষ্ট হবে৷
পাঁচ
আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি কওমী সনদের ইসলামিক স্টাডিজের সমমানের পক্ষে নই আমি৷
আমাদের ছেলেরা শুধু ইমাম বা কারিগরি করবে কেন?
আমাদের তালেবে ইলমরা কওমীতে পড়ে প্রয়োজনে বিসিএস দেবে৷ এরজন্য কওমীর উলামা ও শিক্ষাবিদগণ সময়ের তাকাজাপূরণে একটি সিলেবাস উপহার দেবেন এবং আধুনিক শিক্ষায় যাওয়ার সুযোগ করে দেবেন৷
সেটি বিস্তারিত বিষয়৷ আজ নয়৷
সবশেষ কথা কওমীর দাওরায়ে হাদীসের সনদ অবশ্যই ইসলামী স্টাডিজের সমমান৷
বিশ্বাস না করলে আপনি কওমীর সিলেবাস পর্যালোচনা করতে পারেন নিজে৷
লাবীব আব্দুল্লাহ
ইবনে খালদুন ইনস্টিটিউট
মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়, মতামত একান্তই লেখকের


