কানপুর জামিআ আরাবিয়া ইশাআতুল উলূমে দরসে ইফতেতাহ

কানপুর জামিআ আরাবিয়া ইশাআতুল উলূমে দরসে ইফতেতাহ

পাথেয় ডেস্ক (কানপুর, নামানগর): ভারতের পশ্চিম ইউপির বিখ্যাত মাদরাসা জামিআ আরাবিয়া ইশাআতুল উলুম কলীবাজারে গত মঙ্গলবার, ২৬ জুন, শিক্ষকদের এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতি ছিলেন মাদরাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ কারী আব্দুল কুদ্দুস বারী।

তিনি শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং ছাত্রদের তরবিয়াতের ব্যাপারে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন, ছাত্র’রা মাদরাসায় আমানত স্বরূপ। শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভায় যোগ্যতর করতে শিক্ষকদের ওপর আবশ্যক হলো তাদের প্রতি সর্বাত্মক খেয়াল রাখা। শিক্ষা ও তরবিয়াতে শিক্ষার্থীদের প্রতি মনোযোগী না দেয়া অনেক বড় খেয়ানত। আল্লাহর কাছে এ কারণে জিজ্ঞাসার সম্মুখীন হতে হবে শিক্ষকদের।

তিনি আরও বলেন, শেখা ও শেখানোর জন্য প্রধান শর্ত হলো একনিষ্ঠ হওয়া এবং নিয়ত বা সংকল্পের শুদ্ধতা। জ্ঞানার্জনের জন্য যেমন একনিষ্ঠ বা মুখলিস হওয়া মূল শর্ত ঠিক তেমনি শিক্ষক যারা আছেন তাদেরও একনিষ্ঠ হতে হয়। তাদের নিয়তও হতে হয় এমনই শুদ্ধ। এসব ব্যতীত শিক্ষার সে মূল উদ্দেশ্য অর্জন হবার নয়, যা সামনে রেখেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কওমী মাদরাসা।

সুতরাং যেহেতু নতুন শিক্ষাবর্ষের সূচনা হচ্ছে, তাই আমাদের কর্তব্য হলো আমাদের নিয়তকে পরিশুদ্ধ করে একনিষ্ঠ হওয়ার প্রচেষ্টা করা। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের জন্য বলা হচ্ছে, তারা যেন জ্ঞানার্জনের আগে তাদের উদ্দেশ্যকে ঠিক করে নেয়।

বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মানোন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করে আসছি। এ কারণেই ছাত্রদের পড়াশোনায় উন্নতি এবং ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে প্রত্যেক মাসে একবার শিক্ষার্থীদের জন্য তরবিয়তের বিশেষ মজলিসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিক্ষকবৃন্দ যারা আছেন, তারা নিয়মিত সেখানে ছাত্রদের দিকনির্দেশনা করেন। আলহামদুলিল্লাহ! এ প্রক্রিয়া অবলম্বনে মাদরাসায় পড়াশোনার উন্নতি হচ্ছে বছরে বছরে। ছাত্রদের মধ্যেও দেখা যায় প্রাণ চাঞ্চল্যতা এবং পড়া-লেখার প্রতি গভীর আগ্রহ।
—————————————————————————————————————————————–

অনুবাদ ও গ্রন্থনা : কাউসার মাহমুদ
সূত্র : ডেইলি আগ, দিল্লী
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *