নিজস্ব প্রতিবেদক ● জাতীয় ঈদগাঁহ’র সামনে গ্রীকমূর্তি স্থাপন মুসলমানদের হৃদয়ে অনেক বড় আঘাত অভিমত জানিয়ে কওমি শিক্ষাসনদ স্বীকৃতি বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব শাইখুল হাদিস আল্লামা ইয়াহইয়া মাহমুদ বলেন,মুসলমানদের এ দেশে কারও ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি চাপিয়ে দেয়ার অপপ্রয়াস ভালো হবে না।
মাওলানা মাহমুদ ইসলামী মূল্যবোদের বিশদলীয় জোট নেতৃ বেগম খালেদা জিয়া গ্রীকমূর্তি সম্পর্কে এড়িয়ে যাওয়া কিছুতেই উচিত হয়নি দাবি করে তিনি বলেন, যেধানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজের ধর্মীয় অনুভূতির কথা উল্লেখ করতে সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু বেগম জিয়ার কীসের ভয়। তিনি গ্রীকমূর্তি সম্পর্কে সরাসরি কোনো বক্তব্য দিচ্ছেন না কেন? আমরা তো তার কাছ থেকে অন্তত ব্যক্তিগত অনুভূতি জানতে পারি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মাওলানা মাহমুদ বলেন, ভাস্কর্যের নামে যেখানে সেখানে মূর্তিস্থাপন থেকেও বিরত থাকতে হবে। এ দেশের মুসলমানদের ঈমান আকিদার যেনো ক্ষতি না হয় সেদিকে অবশ্যই আমাদের সবারই সতর্ক থাকা উচিত।
বুধবার সকালে কওমি শিক্ষাসনদ স্বীকৃতি বাস্তবায়ন পরিষদ উদ্যোগে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সদস্য সচিব মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ এসব বলেন।
উল্লেখ্য, ১১ এপ্রিলে কওমি শিক্ষা সনদের স্বীকৃতির ঘোষণা দেয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জ্ঞাপন উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
প্রধানমন্ত্রীর কাছে দাবি জানিয়ে ইয়াহইয়া মাহমুদ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! ১১ এপ্রিলের কওমি সনদের স্বীকৃতির ঘোষণার পর প্রজ্ঞাপনও জারি করা হয়েছে। আমরা আশা করবো, খুব শিগগিরই সংসদে পাশ করে এই ঘোষণাকে একটি আইনে পরিণত করার ক্ষেত্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাইফী, মাওলানা আবদুল আলীম ফরিদী, মাওলানা শরফউদ্দীন, মাওলানা মাসঊদুল কাদির, মাওলানা শফিকুল ইসলাম, মাওলানা এনায়েতুল্লাহ প্রমুখ।


