ঘরোয়া উপায়ে গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পান

ঘরোয়া উপায়ে গলা ব্যথা থেকে মুক্তি পান

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : প্রকৃতিতে শীত তার আগমনী বার্তার জানান দিচ্ছে। শীত আসার আগ মুহুর্তে দিনে গরম থাকলেও রাতে হুটহাট ঠান্ডা বেড়ে যাচ্ছে। আবহাওয়ার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে গিয়ে আমাদের শরীর কিছুটা দ্বিধান্বিত। গরম-ঠান্ডার এই সময়ে সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক কিছু নয়। গলা ব্যথা দেখা দিলে ঢোক গিলতে কিংবা খাবার খেতেও সমস্যা হয় অনেক সময়।

অনেকে আছেন যাদের অল্পতেই ঠান্ডা লেগে যায়। তাদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। গলা ব্যথা হলে তা নিরাময়ে বেছে নিতে পারেন ঘরোয়া কিছু উপায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক উপায়গুলো-

লবঙ্গ

গলা ব্যথা দূর করতে পারে লবঙ্গ হতে পারে আদর্শ একটি সমাধান। এ ধরনের সমস্যা দেখা দিলে একটি লবঙ্গ মুখে দিয়ে রাখুন। যখন সেগুলো গরম হয়ে যাবে তখন চিবিয়ে খেয়ে নিন। এটি গলা ব্যথায় খুব দ্রুত আরাম দেয়। চাইলে চা তৈরির সময়ও তাতে লবঙ্গ যোগ করে খেতে পারেন।

লবণ-পানি

একগ্লাস গরম পানি ও এক চামচ লবণ মিশিয়ে নিন। এবার সেই পানিতে গার্গল করুন। দিনে দুই থেকে তিনবার এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন। গলা ব্যথায় দ্রুত আরাম পেতে অন্যতম কার্যকরী উপায় এটি।

আপেল সাইডার ভিনেগার

এককাপ গরম পানির সঙ্গে ২ টেবিল চামচ আপেল সাইডার ভিনেগার দিন। এবার সেই পানিতে গার্গল করুন। অল্প অল্প করে ঘণ্টায় ২-৩ বার এভাবে করুন। গার্গল করার মাঝের সময়ে প্রচুর পানি পান করতে হবে। এভাবে ব্যবহার করলে দ্রুত আরাম পাবেন। কারণ আপেল সাইডার ভিনেগারে আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য। এটি একাধিক সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। অম্লীয় ধরনের হওয়ার কারণে এটি গলায় শ্লেষ্মা জমতে বাধা দেয়। সেইসঙ্গে রোধ করে ব্যাকটেরিয়ার বিস্তারও।

রসুন

রসুন হলো প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এতে আছে অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক গুণ। গলা ব্যথা সারাতে এগুলো ভীষণ কার্যকরী। রসুনে থাকা অ্যালিসিন গলা ব্যথার জন্য দায়ী ব্যাক্টেরিয়াকে মেরে ফেলতে সাহায্য করে। রান্না কিংবা কাঁচা যেকোনো উপায়ে রসুন খেলে উপকার পাবেন।

মেথি

মেথি একটি উপকারী উপাদান। এর রয়েছে নানামুখী ব্যবহার। শুধু মেথি খেতে পারেন আবার মেথি চা তৈরি করে খেতে পারেন। মেথি দিয়ে তৈরি চা গলা ব্যথায় অন্যতম প্রাকৃতিক প্রতিকার। এটি গলা ব্যথা উপশম করার পাশাপাশি জ্বালা বা প্রদাহ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াগুলোকেও মেরে ফেলে। এতে আছে অ্যান্টিফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য। তবে গর্ভবতীরা মেথি এড়িয়ে যাবেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *