পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মুম্বাই : জমিয়তে উলামা হিন্দের সদস্যপদ আরো দৃঢ় ও দেশব্যাপী কর্মী অন্বেষণ এবং মুম্বাইয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও মজবুত করার লক্ষ্যে মু্ম্বাইয়ে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার মুম্বাইয়ের জামে মসজিদ বান্দুরাতে মুম্বাই জমিয়তের নেতৃবৃন্দ, দলের কর্মী ও সাধরাণ মানুষের উপস্থিতি এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহারাষ্ট্র জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের জেনারেল সেক্রেটারি মাওলানা হালিমুল্লাহ কাসেমী। তিনি সেখানে দলের অবকাঠামো ও কার্যকলাপ সম্পর্কিত দিকনির্দেশনার কথা উল্লেখ করে বক্তব্য পেশ করেন।
তিনি বলেন, জনগণ সংখ্যাধিক্যে ভারতের মত একটি রাষ্ট্রে বিশেষ করে এখানকার সংখ্যালঘু মুসলমানদের জন্য জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ আল্লাহর এক বিশেষ নেয়ামত ও তার রহমত। রাষ্ট্রের যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সবার আগে জনগণের পাশে এসে দাঁড়ায় জমিয়তে উলামা হিন্দ।
মুসলমানদের প্রতিটি সংকটাবস্থায় ঢাল হয়ে সামনে থাকে জমিয়ত। যেকোনো অবস্থায় মুসলমানদের অধিকার রক্ষায় জমিয়তের দুর্বার আন্দোলন অপর পরাশক্তিকে দমিয়ে রেখে এসেছে।
পরে জমিয়তের সদস্যপদ সম্পর্কিত আলোচনায় তিনি বলেন, প্রতি দু’বছর অন্তর জমিয়তের এ সদস্যপদ কার্যক্রম চালু হয়। বুদ্ধিমান, প্রাপ্তবয়স্ক প্রতিটি নারী-পুরুষকেই এর দাওয়াত দেয়া হয়। যেন তারা জমিয়তে উলামা হিন্দের সদস্য হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে তাদের ভূমিকা রাখে।
সভায় জমিয়ত মহারাষ্ট্রের কোষাধ্যক্ষ ও মারকায মসজিদের খতীব মুফতি ইউসুফ কাসেমী বলেন, জমিয়তের স্বর্ণালি ইতিহাসের প্রতি চোখ বুলালেই দেখা যায়, কত মহান মনীষীর ত্যাগ, কর্ম ও একনিষ্ঠতার মাধ্যমে গড়ে উঠেছে ভারতের অন্যতম এ সংগঠনটি। সেইসব মনীষীদের কাজ ও কুরবানির সমুজ্জ্বল আলোকরশ্মিতে জমিয়ত আজ এখানে। মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ইসলামের সুমহান শাশ্বত সুন্দরকে ফুটিয়ে তোলার ব্রত নিয়েই কাজ করে জমিয়তে উলামা হিন্দ।
পরে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ সেখানে তাদের নিজ এলাকাগুলোয় দলীয় কার্যক্রমের অগ্রগতি ও তৎপরতা সম্পর্কে বিশেষ অভিব্যক্তি পেশ করেন এবং অনুষ্ঠিত সভাকে কেন্দ্র করে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যান।
এসময় মহারাষ্ট্র ও মুম্বাইসহ বেশ কটি প্রদেশের নেতৃবৃন্দের মধ্যে তাদের নতুন দায়িত্ব অপর্ণ ,সদস্যপদ নবায়নকরা সহ আরো বেশকিছু কাজ করা হয়।
অনুষ্ঠান শেষে মাওলানা হালিমুল্লাহ কাসেমীর দুআর মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
অনুবাদ ও সম্পাদনা : কাউসার মাহমুদ
তথ্যসূত্র : ডেইলি হামারা সামাজ, দিল্লী
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির


