জাতিসংঘে ভোটে বিরত থাকার কারণ জানালো বাংলাদেশ

জাতিসংঘে ভোটে বিরত থাকার কারণ জানালো বাংলাদেশ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) গৃহীত সর্বশেষ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দানে বিরত ছিল বাংলাদেশ। বাংলাদেশ কেন ভোটদানে বিরত ছিল, রবিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সে বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়েছিল।

বিবৃতিতে বলা হয়, রেজুলেশনে সংকট সমাধানের জন্য কূটনীতিক যোগাযোগ ও সংলাপের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি উল্লেখ না থাকার কারণে ভোট দেয়নি বাংলাদেশ। রবিবার আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক সেহেলি সাবরিন বাংলাদেশের অবস্থান জানিয়ে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

এর আগে ২৪ ফেব্রুয়ারি ভোটদানে বিরত থাকার কারণে এক টুইট বার্তায় বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে রাশিয়া। টুইট বার্তায় রাশিয়ান দূতাবাস জানায়, “ভোটদানে বিরত থাকার জন্য বাংলাদেশকে ধন্যবাদ।”

সেহেলি সাবরিন বিবৃতিতে বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, বর্তমান সংকটের যেকোনো অর্থবহ ও টেকসই সমাধানের জন্য এর সঙ্গে জড়িত পক্ষগুলোর মধ্যে দৃঢ় কূটনৈতিক যোগাযোগ ও সংলাপ প্রয়োজন। আমাদের বিবেচনা অনুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টটি রেজুলেশনে উল্লেখ করা হয়নি। সে কারণে আমরা ভোটদানে বিরত থাকতে বাধ্য হয়েছি।”

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে “জাতিসংঘ নীতির অন্তর্নিহিত তাৎপর্য অনুযায়ী ইউক্রেনে একটি ন্যায্য ও দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা” শীর্ষক রেজুলেশন গ্রহণ করা হয়। এর পক্ষে ভোট পড়ে ১৪১টি, বিপক্ষে সাতটি।

বাংলাদেশ, ভারত, চীন, ইরান, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কাসহ ৩২টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে এবং রাশিয়াসহ সাতটি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়। অন্যদিকে নেপাল, ভুটান, আফগানিস্তান ও মালদ্বীপ পক্ষে ভোট দেয়। মোট ১৪১টি দেশ এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *