জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা ৫ সাক্ষীকে জেরার আবেদন খালেদার

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা ৫ সাক্ষীকে জেরার আবেদন খালেদার

আদালত প্রতিনিধি ●  জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ সাক্ষীকে জেরা করার আবেদন বিচারিক আদালতে প্রত্যাখাত হওয়ার পর হাইকোর্টে এসেছেন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা। বুধবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় খালেদা জিয়ার ওই আবেদন জমা দেওয়া হয়। তার আইনজীবী জাকির হোসেন ভূঁইয়া জানিয়েছেন, আগামি রোববার বিচারপতি মো. শওকত হোসেন ও বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে। তিনি বলেন, এ মামলার সাক্ষী মোট ৩৬ জন। তার মধ্যে ৩২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

এই ৩২ জনের মধ্যে ছয় সাক্ষীর জেরা সে সময় ডিক্লাইন (জেরা করতে অস্বীকার করা) করেছিলাম। পরে অন্যান্য সাক্ষীর জেরার পর্যায়ে আমাদের মনে হয়েছে, ওই পাঁচজনকেও জেরা করা প্রয়োজন। ওই পাঁচ সাক্ষী ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তাকে নতুন করে জেরা করার জন্য গত ৮ জুন ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. আখতারুজ্জামানের কাছে আবেদন করেছিল আসামিপক্ষ। কিন্তু বিচারক পাঁচ সাক্ষীকে পুনরায় জেরার আবেদন নাকচ করে কেবল তদন্ত কর্মকর্তা হারুন-অর রশীদকে আবার জেরার অনুমতি দেন। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা ইতোমধ্যে দুদকের উপপরিচালক হারুন-অর রশীদকে তিন দিন আংশিক জেরাও করেছেন।

বৃহস্পতিবার তাদের অসমাপ্ত জেরার তারিখ রয়েছে। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে আসা ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ অগাস্ট তেজগাঁও থানায় এ মামলা দায়ের করে দুদক। তদন্ত কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ চার জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। খালেদা জিয়ার একান্ত রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, বিআইডব্লিউটিএয়ের নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খানও এ মামলায় আসামি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *