জুমার দিনের বিশেষ আমল

জুমার দিনের বিশেষ আমল

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : জুমার দিনের মর্যাদা ও সম্মান সপ্তাহের অন্য দিনের চেয়ে বেশি। এই দিনকে আল্লাহ তাআলা সব দিনের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এই দিনের বিশেষ সম্মান ও মর্যাদা বর্ণিত হয়েছে।

এই দিনে আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে। এই দিনে তাঁকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয়েছে এবং এই দিনে তাঁকে জান্নাত থেকে বের করা হয়েছে। (মুসলিম, হাদিস : ৮৫৪)

আল্লাহর রাসুল (সা.) একটি হাদিসে বলেছেন, মুমিনের জন্য জুমার দিন হলো সাপ্তাহিক ঈদের দিন।(ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১০৯৮)

এক হাদিসে নবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, যে দিনগুলোতে সূর্য উদিত হয়, ওই দিনগুলোর মধ্যে জুমার দিন সর্বোত্তম। ওই দিন হজরত আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা হয়েছে। ওই দিন তাকে জান্নাতে প্রবেশ করানো হয় এবং ওই দিনই তাকে জান্নাত থেকে বের করে দেওয়া হয়। আর ওই দিনই কিয়ামত অনুষ্ঠিত হবে। (মুসলিম, হাদিস : ৮৫৪)

মহানবী (সা.) আরও বলেন, জুমার দিন দোয়া কবুল হওয়ার একটি সময় আছে , কোনো মুসলিম যদি সেই সময়টা পায়, আর তখন যদি সে নামাজে থাকে, তাহলে তার যেকোনো কল্যাণ কামনা আল্লাহ পূরণ করেন। (বুখারি, হাদিস : ৬৪০০)

  • জুমার দিনের গুরুত্বপূর্ণ আমল

মর্যাদাপূর্ণ এই দিনের অনেক আমল হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে। তন্মধ্যে কিছু আমল ধারাবাহিক উল্লেখ করা হচ্ছে। ১. গোসল করা। ২. উত্তম পোশাক পরিধান করা। ৩. সুগন্ধি ব্যবহার করা। ৪. মনোযোগের সঙ্গে খুতবা শোনা। ৫. বেচাকেনা বন্ধ রাখা। ৬. দ্রুত মসজিদে যাওয়া। ৭. সুরা কাহফ তিলাওয়াত। ৮. সুরা কাহাফের শেষ ১০ আয়াত পাঠ। ৯. বেশি বেশি দরুদ পাঠ। ১০. দোয়ার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া।

জুমার গুরুত্ব, মাহাত্ম্য, ফজিলত ও তাৎপর্য বিবেচনা করে এই দিনটিকে প্রতিটি মুসলিমের কাজে লাগানো উচিত। আল্লাহ তাআলা তাওফিক দান করুন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *