পাথেয় রিপোর্ট : জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় র্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে তোফাজ্জল হোসেন (৩৭) নামে মাদক মামলার এক আসামি নিহত হয়েছেন। রোববার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে উপজেলার তাউশারা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত তোফাজ্জল ক্ষেতলাল উপজেলার উত্তর মহেশপুর সরকারপাড়া গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদের ছেলে।
র্যাবের দাবি, নিহত তোফাজ্জল হোসেনসহ একদল মাদক চোরাকারবারিরা রোববার দিবাগত রাত পৌনে ২টার দিকে ক্ষেতলালের তাউশারা এলাকায় মাদক কেনা-বেচা করছিল। এ খবর পেয়ে র্যাবের একটি টহল দল তাদের ধরতে যায়। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা টহল দলকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। র্যাব সদস্যরাও তাদের লক্ষ্য করে পাল্টা গুলি ছুড়লে ঘটনাস্থলে তোফাজ্জল গুলিবিদ্ধ হয় এবং অন্যরা পালিয়ে যায়। পরে তোফাজ্জলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে ক্ষেতলাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে গুলি, ম্যাগাজিন সহ একটি বিদেশি পিস্তল ও ফেনসিডিল উদ্ধার করেছে র্যাব। এ ঘটনায় র্যাবের দুইজন সদস্যও আহত হয়েছেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
ক্ষেতলাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ইসমাইল হোসেন জানান, রাত ২টা ৫৫ মিনিটে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তোফাজ্জল হোসেনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। মাথাসহ তার শরীরের বেশ কিছু জায়গায় গুলির ক্ষত দেখা গেছে।
এ ব্যাপারে জয়পুরহাট র্যাব-৫ ক্যাম্পের কমান্ডার সহকারি পুলিশ সুপার আজমল হোসেন জানান, নিহত তোফাজ্জল হোসেন এলাকার শীর্ষ মাদক কারবারি। মাদক চোরাচালানী ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে ক্ষেতলালসহ জয়পুরহাটের বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে ১২-১৩টি মামলা চলমান রয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষেতলাল থানায় মামলা করা হবে।
এদিকে নিহত তোফাজ্জলের মা তোফেলা বেগম জানান, রোববার সন্ধ্যার পর র্যাব তার ছেলেকে বটতলী বাজার থেকে ধরে নিয়ে গেছে। এরপর অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। সকালে তারা জানতে পারে র্যাবের গুলিতে তোফাজ্জল মারা গেছে। খবর পেয়ে ছেলেকে দেখার জন্য তিনি ক্ষেতলাল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ছুটে এসেছেন।


