পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : গাজীপুরের টঙ্গীতে তুরাগ নদীর ওপর টঙ্গী সেতুতে প্রায় ৫ ফুট দীর্ঘ ও তিন ফুট প্রশস্ত হয়ে পলেস্তরা খসে পড়ে রড বের হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত অংশটি চিহ্নিত হওয়ার পর ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচিত হওয়ায় সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এর ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে চলাচলকারী যাত্রী ও বাসগুলোকে যানজটের কারণে ঢাকায় প্রবেশ ও বের হতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
বুধবার (১০ নভেম্বর) রাত ১০টার পর থেকে বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ সেতুটি পরিদর্শন করে ঝুকিপুর্ণ বিবেচনায় ওই মহাসড়কে যানচলাচল বন্ধ করে দেয়। এরপরই থেকে সৃষ্টি হয় যানজটের। যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ে মহাসড়কের আশেপাশে ঢাকা-টঙ্গী-কালিগঞ্জ-ঘোড়াশালসহ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কগুলোর যাত্রীরা।
ঢাকা থেকে বের হয়ে টঙ্গীতে প্রবেশ করা যানবাহনগুলো ঘন্টার পর ঘন্টা যানজটে আটকে থাকছে। টঙ্গী স্টেশন রোড থেকে ঢাকা অভিমুখী লেনের সকল প্রকার যানবাহন সড়কে বাঁশ ও অন্যান্য উপকরণ ফেলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। টঙ্গী স্টেশন রোড হয়ে ইউটার্ন নিয়ে বিকল্প পথে রাজধানী প্রবেশ করলেও দীর্ঘ যানজটে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও যানবাহনগুলোর।
সরেজমিন দেখা গেছে, টঙ্গী সেতু সড়কের ঢাকা অভিমুখী লেনটি ফাঁকা। উল্টো লেনটিতে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন দাঁড়িয়ে আছে। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পর পর ৪/৫ফুট করে এগিয়ে যাচ্ছে। ঢাকা থেকে আসা পিকাপভ্যানের চালক রমজান আলী যাবেন ময়মনসিংহে। তিনি জানান, সেতু পার হতে তার সময় লেগেছে তিন ঘন্টা।
বিআরটিএ প্রকল্পের (সেতু বিভাগের) পরিচালক মহিরুল ইসলাম জানান, সড়ক বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী ও অভিজ্ঞ কর্মকর্তারা শনিবার (১৩ নভেম্বর) দিনের কোনো এক সময় সেতুটি পরিদর্শনে টঙ্গীতে যাবেন। পরে তাদের মতামত নিয়ে ৮/১০দিনের মধ্যে ভাঙা অংশে ঢালাই/মেরামত করে যানবাহনের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তখন নতুন এ যানজট সমস্যা থাকবে না।


