তালিকা না দিলে মতিঝিল আইডিয়ালের স্বীকৃতি বাতিল

তালিকা না দিলে মতিঝিল আইডিয়ালের স্বীকৃতি বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক ● মন্ত্রণালয়ের নির্দেশের দেড় মাস পার হয়ে গেলেও ভুয়া শিক্ষকের তালিকা দেয়নি রাজধানীর মতিঝিলের আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। তাই মন্ত্রণালয় থেকে সাত দিন সময় দিয়ে সোমবার (২৩ অক্টোবর) আবারও জরুরি তাগাদাপত্র দেওয়া হয়েছে। এরপরও তালিকা না দিলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিল হতে পারে। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব সালমা জাহান বলেন, ‘সাত দিন সময় দিয়ে তাগাদাপত্র দেওয়া হচ্ছে। এরপরও যদি তারা তালিকা না পাঠায়, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজনে একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিল করা হবে।’ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, যাচাই করে কোনও শিক্ষকের ভুয়া সনদ পাওয়া গেলে তাদের এমপিও বাতিল এবং চাকরিচ্যুত করা হবে। এর আগে গত ১৬ আগস্ট মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ সব শিক্ষকের সনদ যাচাইয়ের পর ভুয়া শিক্ষকদের তালিকা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরে (মাউশি) পাঠাবেন। গত ২৭ আগস্ট মাউশির কাছে তালিকা চায় মন্ত্রণালয়। কিন্তু আজ অবধিও তালিকা পাঠানো হয়নি। এমনকি কেন তা পাঠানো হয়নি তাও জানায়নি প্রতিষ্ঠানটি। মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ওই প্রতিষ্ঠানে অনেক শিক্ষক ভুয়া সনদে চাকরি করছেন।

এই অভিযোগ খতিয়ে দেখতে উদ্যোগ নেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। চলতি বছরের মে মাসে প্রতিষ্ঠানটির মতিঝিল শাখার সহকারী প্রধান শিক্ষক আব্দুস ছালাম খানের বিএড সনদ ভুয়া প্রমাণিত হয়। এরপর মাউশি ছালাম খানের এমপিও স্থগিত করে। পাশাপাশি তাকে চাকরিচ্যুত করতে ম্যানেজিং কমিটিকে নির্দেশ দেয় ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। এই নির্দেশনার বিরুদ্ধে ছালাম খান হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে তা স্থগিত করেন আদালত। এ ঘটনার পর বিভিন্ন পর্যায় থেকে মন্ত্রণালয়ের কাছে অভিযোগ আসতে শুরু করে। অভিযোগে বলা হয়, ভুয়া সনদে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষকতা করছেন অনেক শিক্ষক।

এ বিষয়ে জানতে সোমবার বিকালে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ শাহান আরাকে ফোন করা হলে তিনি তার মায়ের মৃত্যুজনিত কারণে কথা বলতে অপারগতা জানান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *