দারুল উলূম দেওবন্দের উস্তাদ মাওলানা জামীল আর নেই
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডট কম : : চলে গেছেন দারুল উলূম দেওবন্দের উস্তাদ মাওলানা জামীল আহমদ স্ক্রুদাবী। দারুল উলূম দেওবন্দের হাদীস ও ফিক্ব্হ বিভাগের প্রবীণ শিক্ষক, হিদায়াহ্ গ্রন্থের বিখ্যাত শরাহ্ (সহায়িকা) আশরাফুল হিদায়াহ -র লেখক মাওলানা জামীল আহমাদ স্ক্রুদাবী রোববার বিকাল পাঁচটায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন।
মৃত্যুর আগে মাওলানা জামীল আহমাদ দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। তিনি বেশ কিছু দিন যাবৎ ক্যান্সারের মতো জটিল রোগে আক্রান্ত ছিলেন। কেমু থেরাপির কারণে মাথা ও অন্যান্য অঙ্গের চুল পড়ে যায়।
সোমবার বিকাল পাঁচটার দিকে দিল্লীর জিটিপি হাসপাতালে দারুল উলূম দেওবন্দের এই উস্তাদ শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
দারুল উলূম দেওবন্দ সূত্রে জানা যায়, মাওলানা জামীল আহমাদ স্ক্রুদাবী দারুল উলূম দেওবন্দের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষকদের একজন। তিনি অসংখ্য কিতাব রচনা করেছেন। ব্যাখ্যাগ্রন্থ লিখেছেন। এরমধ্যে আশরাফুল হিদায়া কালজয়ী গ্রন্থ হিসেবে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েছে। বাংলাদেশেও হিদায়ার উর্দু তরজমাগ্রন্থ হিসেবে আশরাফুল হিদায়ার জুড়ি নেই। এটি বাংলাতেও তরজমা হয়েছে। মাওলানা মুহুাম্মদ ইসহাক ফরিদী রহ. অনেকেই এর তরজমা করেছেন।
মাওলানা জামীল আহমাদ-এর পরিবার সূত্র দিয়ে ভারতের একটি পত্রিকা জানিয়েছে, মরহুম কেবল লেখালেখি নয় তিনি রেখে গেছেন হাজার হাজার শিষ্য। তার শিষ্য ইলমের সদকায়ে জারিয়া চালু রাখছেন এবং রাখবেন বলেও আশা করছেন।
মাওলানা জামীল আহমাদ ইন্তেকালের সময় একজন কন্যা ও তিন ছেলে রেখে গেছেন।
মাওলানা জামীল আহমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে বিশ্ববাসীর জন্য বিশেষভাবে দুআর আবেদন করা হয়েছে। ভারতের পত্রিকা বাসিরত অনলাইনসূত্রে এ তথ্য জানা যায়।
পত্রিকাটি জানিয়েছে মাওলানা জামীল আহমাদের জানাযা, দাফন সম্পর্কিত কোনো তথ্য এখনো জানা যায়নি।
মাওলানা জামীল আহমাদের ইন্তেকালে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোক জানিয়েছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার মহাসচিব মাওলানা আবদুর রহীম।


