পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : টানা ১৪ দিন ‘ঘরবন্দি’ থাকার পর শিথিল করা হয়েছে লকডাউন। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) থেকে নয় দিনের জন্য সবকিছু খুলে দেওয়া হয়েছে। এতেই নগরজুড়ে অসহনীয় যানজট দেখা দিয়েছে।
ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা বলছেন, টানা দুই সপ্তাহ পর সড়কে বের হওয়ার সুযোগ পাওয়ায় সিংহভাগ নাগরিক লকডাউন চলার সময়ে জমে থাকা কাজে সড়কে বের হয়েছে। এতে যানবাহনের চাপ বেড়ে গেছে। এ ছাড়া নগরজুড়ে চলছে সড়ক খোঁড়াখুঁড়ি। এ কারণে এই যানজট সৃষ্টি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নগরজুড়ে এমন চিত্র দেখা গেছে।
যানবাহনের চাপে সিগন্যালগুলো নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশকে হিমশিম খেতে দেখা গেছে। দীর্ঘ সময় সিগন্যালে অপেক্ষায় রেখেও ছেড়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ট্রাফিক সিগন্যালের এপার-ওপাড় সব দিকেই শুধু যানবাহন আর যানবাহন। এতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন নগরবাসী। ভোগান্তিও পোহাতে হয়েছে সাধারণ যাত্রীদের।
একই চিত্র দেখা গেছে রাজারবাগ, আরামবাগ, ফকিরাপুল, দৈনিক বাংলা, মতিঝিল, পল্টন, কাকরাইল, মৎস্য ভবন, শাহবাগ, বাংলামোটর, কাওরান বাজার, শাহবাগ, পান্থপথ, ধানমন্ডি-২৭, ধানমন্ডি ৩২, মনিপুরীপাড়া, শেওড়াপাড়া, শ্যামলীসহ প্রায় সব এলাকায়। মগবাজার মৌচাক ফ্লাইওভারেও ভয়াবহ যানজট দেখা গেছে।
এদিকে নগরজুড়ে বিভিন্ন সড়কে চলছে খোঁড়াখুঁড়ি। ফকিরাপুল মোড় থেকে নটরডেম পর্যন্ত সড়কে চলছে সিটি করপোরেশনের খোঁড়াখুঁড়ি। ওই সড়কটি দিয়ে দূরপাল্লার বাসগুলো চলাচল করছে। সড়কটির এক পাশের অর্ধেকেরও বেশি অংশজুড়ে চলছে ড্রেন নির্মাণের কাজ। এ কারণে সড়কটিতে দীর্ঘ যানজট লেগেই থাকে। এ ছাড়া শহরের অন্যান্য এলাকায়ও সড়কে খোঁড়াখুঁড়ি করতে দেখা গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মনিবুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন গণপরিবহন বন্ধ থাকার পর আজ সব গাড়ি রাস্তায় নেমেছে। এর পাশাপাশি সিএনজি, মোটরবাইকও নেমেছে। এ ছাড়া এতদিন রিকশাগুলো প্রধান সড়কে চলাচল করেছে। সেই রেশ অনুযায়ী আজও তারা প্রধান সড়কে ছিল। সব ক্ষেত্রে ঠেকানো সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া প্রচুর মানুষ রাস্তায় বের হয়েছে। যত্রতত্র রাস্তা পারাপার হয়েছে।


