দেওবন্দ লাইব্রেরী দেখে অভিভূত দিল্লী হাইকোর্টের বিচারপতি
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ভারতের প্রখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম দেওবন্দ পরিদর্শন করেছেন দিল্লী হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি তলুনাথ সিং। তিনি দেওবন্দে ইতিহাস-ঐতিহ্য, শিক্ষ-সংস্কৃতি নিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে আলাপ করেন। ঘুরে দেখেন মাদরাসার শ্রেণি কক্ষ, আবাসিক ভবন, লাইব্রেরী ও দারুল উলূম দেওবন্দের অন্যান্য ভবন।
পরিদর্শনের পর বিচারপতি তলুনাথ সিং বলেন, এ ধরনের শিক্ষা ব্যবস্থা সমাজের জন্য খুবই জরুরি।
২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ রোববার বিচারপতি তলুনাথ সিং তার স্ত্রীসহ দারুল উলূম দেওবন্দে পৌঁছলে প্রতিষ্ঠানটির প্রিন্সিপাল মুফতি আবুল কাসেম নোমানী, ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আবদুল খালেক মাদ্রাজী তাদেরকে স্বাগত জানান। তারা বিচারপতির সামনে দারুল উলূম দেওবন্দের ঐতিহাসিক খেদমাত, শিক্ষাব্যবস্থা, এখানকার ছাত্রদের অবস্থান, খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
প্রিন্সিপাল মুফতি আবুল কাসেম নোমানী বলেন, দারুল উলূম দেওবন্দে প্রায় পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে। এসব শিক্ষার্থীদের অবস্থান, ভরণপোষণের সব দায়দায়িত্ব পালন করে চলেছে এ প্রতিষ্ঠান। দারুল উলূম দেওবন্দ এবং এখানকার আকাবিরীনদের দেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে অবদানের কথাও তুলে ধরেন। আজও এখানকার শিক্ষার্থীরা দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে চলেছেন।
দিল্লী হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি তলুনাথ সিং দেওবন্দ পরিদর্শন নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বলেন, আমি দারুল উলূম দেওবন্দ সম্পর্কে অনেক পড়েছি এবং শুনেছি। এখানে আসার জন্য আমার মন উদগ্রীব হয়ে অপেক্ষা করছিল। আজকে আসতে পেরে এবং আপনাদের ভালোবাসা পেয়ে আমার খুবই ভালো লাগছে।
তিনি বলেন, আমি এখানকার লাইব্রেরীতে যেসব কিতাব আমি দেখেছি, আমার কাছে মনে হয়, শুধু দেশের জন্যই বরং সমগ্র বিশ্বের জন্যই অনেক বড় সম্পদ।
তিনি বলেন, এখানে যে পাঁচ হাজার স্টুডেন্ট লেখাপড়া করছে, এরাতো যে কোনো শহরের তুলনায় অনেক ভালো পড়াশোনা করছে। দেশের উন্নয়নের অংশীদার হচ্ছে। এজাতীয় প্রতিষ্ঠান আরও প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান বাড়লে দেশের জন্যই মঙ্গল। এরাই দেশ এবং বিশ্বের সব মানুষের উপকারে আসবে।
দিল্লী হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি তলুনাথ সিং দেওবন্দে অবস্থানের সময় উপস্থিত ছিলেন, মিলু চৌধুরী, রাকেশ কুমার, মাওলানা মুরতাজা, মাওলানা আসজাদ, মাওলানা শফিকুর রহমান, মাওলানা মুকিমুদ্দীন প্রমুখ।
সূত্র : হামারা সমাজ, দিল্লী
অনুবাদ : পাথেয় পরিবার
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির


