ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে মসজিদে নববীর
কর্তৃপক্ষ প্রধান কর্মকর্তার সঙ্গে উলামাদের বৈঠক অনুষ্ঠিত
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে মসজিদে নববীর কর্তৃপক্ষের প্রধান কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-খুযুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন সৌদিতে পবিত্র হজব্রত উপলক্ষে সফররত বাংলাদেশের উলামায়ে কেরামের একটি প্রতিনিধি দল।
সোমবার (১৯ আগস্ট) ডা. মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-খুযুরীর সঙ্গে এ সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ একটি শান্তি প্রিয় দেশ। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইসলামের উন্নয়ন করে মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় কর্মকাণ্ডকে যথাযোগ্য মর্যাদায় উন্নতি করছেন। ইসলাম ধর্মের প্রকৃত জ্ঞান অর্জনের জন্য মুসলিম সম্প্রদায়কে উৎসাহী করছেন। তিনি বাংলাদেশের বিশিষ্ট উলামাদের সঙ্গে নিয়ে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কাজ করছেন।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম শেখ হাসিনা হজযাত্রীদের পরামর্শ দেয়ার জন্য ৫৮ সদস্যের উলামায়ে কেরামের একটি দলকে রাষ্ট্রীয় খরচে হজে পাঠিয়েছেন। ইসলামের প্রচার ও প্রসারের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার অবদান তুলে ধরেন তিনি।
শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ মসজিদে নববীর কর্তৃপক্ষের প্রধান কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-খুযুরীর কাছে বাংলাদেশ জনগণ এবং দেশের জন্য দোয়ার দরখাস্ত পেশ করেন।
এসময় ডা. মুহাম্মদ বিন আহমদ আল-খুযুরীর মসজিদে নববীর ইতিহাস, নবীজী সা.-এর জীবনী এবং মুসলিম বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করেন। যে কোন পরিস্থিতিতে মুসলমানদের ধৈর্য্য ধারনের আহ্বান জানান তিনি।
সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, আওলাদে রাসূল, ফিদায়ে মিল্লাত মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী রহ.-এর খলিফা শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ, মাওলানা আবদুল হালিম বোখারি (প্রিন্সিপাল, পটিয়া মাদ্রাসা, চট্টগ্রাম), মুফতি রুহুল আমীন (প্রিন্সিপাল, গওহরডাঙ্গা মাদ্রাসা, গোপালগঞ্জ), মাওলানা জাফর আহমদ (প্রিন্সিপাল, ঢালকানগর মাদ্রাসা, ঢাকা), মাওলানা ইয়াকুব আলী খন্দকার (সুপারিনটেন্ডেন্ট, চমকপুর ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা, কিশোরগঞ্জ), মাওলানা শাহ মোহাম্মদ তৈয়ব, (মুহতামিম জিরি মাদ্রাসা, চট্টগ্রাম), মাওলানা আনাস মাদানী (আহমদ শফির ছেলে ও হাটহাজারী মাদ্রাসার শিক্ষক), মাওলানা আব্দুল কুদ্দুস (মহাসচিব, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া, ঢাকা)।
আরও উপস্থিত ছিলেন, মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন (প্রিন্সিপাল, আকবর কমপ্লেক্স মিরপুর, ঢাকা), মুফতি মিযানুর রহমান সাঈদ (মুহতামিম, শায়েখ যাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার, ঢাকা)। মাওলানা ইয়াহিয়া মাহমুদ (প্রিন্সিপাল, দারুল উলুম রামপুরা বনশ্রী, ঢাকা), মুফতি মোহাম্মদ আলী (মুহতামিম, আফতাবনগর মাদ্রাসা, ঢাকা) মুফতি মোহাম্মদ ইয়াহিয়া (প্রধান মুফতি, লালবাগ মাদ্রাসা, ঢাকা), মাওলানা নেয়ামতুল্লাহ আল ফরিদী ( মুহাদ্দিস, জামিয়া মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী, ঢাকা), মাওলানা শামসুল হুদা খান (মুহতামিম, হিলি মাদ্রাসা, দিনাজপুর), মুফতি সাইফুল ইসলাম (প্রিন্সিপাল, বড় কাটারা মাদ্রাসা ও মেয়ের জামাই মুফতি আমিনী ) মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজু (প্রিন্সিপাল, গহরপুর মাদ্রাসা সিলেট), মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন (বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর সেক্রেটারি)সহ হজযাত্রীদের পরামর্শ দেয়ার জন্য রাষ্ট্রীয় খরচে সৌদি আরব পাঠানো উলামায়ে কেরামের প্রায় সকলেই উপস্থিত ছিলেন।
এরআগে ৫ আগস্ট সোমবার আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার একটি প্রতিনিধি দল কাবা শরীফের ইমাম ড. ফায়সাল জামিল গাজায়ীর দাওয়াতে নৈশভোজে অংশ করেন। বাদ মাগরিব ড. ফায়সাল জামিল গাজায়ী নিজ বাসভবনে এ নৈশভোজের আয়োজন করা হয়। এসময় কাবা শরীফের ইমামের সঙ্গে বাংলাদশে জমিয়তুল উলামার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।


