ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত

ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায় কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত

যানবাহনে যৌন হয়রানি

ধর্ষণ-হত্যার ঘটনায়

কঠিন শাস্তি হওয়া উচিত

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: যানবাহনের পেছনে লেখা থাকে বিমানের ছোঁয়া। এই ছোঁয়া দিয়ে কোনো উপকার নেই। প্রয়োজন বিমানের মতো নির্ধারিত জায়গায় পুরো বাহনের ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ। বাসে কী ঘটছে, কখন কোথায় যাচ্ছে বাস, তা যেনো কন্ট্রোল রুম জানতে পারে। তাহলে বাসে যৌন হয়রানির মতো ঘটনা তো কমবেই এমনকি খুনধর্ষণের ঘটনা শূন্যের কোটায় চলে আসবে। মুখের ডিজিটালে আর চলবে না এখন।
বাস্তবের তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাডিয়ে অপরাধ থামিয়ে দিতে হবে। এটা এখন কোনো ব্যাপারই নয়।

আমরা গভীরভাবে লক্ষ্য করছি, বাস বা যানবাহনে যৌন হয়রানি এ দেশে নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। সভ্যতার সংকট একের পর এক যৌন অপরাধের অবতারণা ঘটাচ্ছে। ঢাকার ধামরাইয়ে বাসের মধ্যে এক তরুণী পোশাক শ্রমিককে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে বাস চালক ফিরোজ ওরফে সোহেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

গত শুক্রবার গভীর রাতে ধামরাইয়ের হিজলীখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশে একটি ঝোপের মধ্য থেকে ওই তরুণীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। গ্রেফতার ফিরোজ (৩০) রাজবাড়ীর পাংশা থানার আমানত খানের ছেলে। ধামরাই উপজেলার জেঠাইল গ্রামে শ্বশুরবাড়িতে থেকে কালামপুর এলাকার প্রতীক সিরামিকস নামে একটি কারখানার শ্রমিক বহনকারী বাসের চালক। নিহত ১৯ বছর বয়সী তরুণীর বাড়ি ধামরাই উপজেলার কুশুরা ইউনিয়নে। বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে থেকে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন তিনি।

শুক্রবার ভোরে ওই তরুণীকে তার মা বাড়ির পাশ থেকে একটি বাসে উঠিয়ে দেন কারখানায় যাওয়ার জন্য। সন্ধ্যায় মেয়ে বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা তাকে খোঁজ করতে যায়। রাতেই স্বজনরা কাওয়ালিপাড়া-বালিয়া সড়কের পাশে ঝোঁপের মধ্যে তার লাশ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ রাতে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। ওই তরুণীর গলায় আঘাতের দাগ রয়েছে। তাকে বাসের ভিতর ধর্ষণের পর শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। আটককৃত বাসচালক পোশাক শ্রমিক এই তরুণীকে ধর্ষণের পর হত্যার কথা স্বীকার করেছে।

গত রোববার একই দিনের পত্রিকায় দুই কর্মজীবী নারীকে ধর্ষণের দায়ে এক বাড়িওয়ালাকে গ্রেফতারের খবর প্রকাশিত হয়েছে। মাত্র কয়েকদিন আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে কুর্মিটোলায় ধর্ষণ করা হয়েছে রাস্তার পাশের ফুলগাছের ঝোঁপে। যানবাহনে যৌন হয়রানি এবং ধর্ষণের ঘটনায় বাসচালক ও হেলপাররা ব্যাপকভাবে জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। আমরা মনে করি, যৌন অপরাধীদের কঠিন শাস্তিই এ ধরনের অপরাধ থেকে নিবৃত্ত করতে পারে। এ জন্য দ্রুত বিচারের বিষয়টি গুরুত্বের দাবি জানাচ্ছি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *