পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার বাঁশগাড়ি ও নীলক্ষা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ চারজন নিহতের ঘটনায় আগ্নেয়াস্ত্রসহ ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। এসময় তাদের কাছ থেকে ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬ রাউন্ড তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়া হয়।
এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে দুটি মামলা করেন। শনিবার সকালে রায়পুরা থানায় এ মামলা করা হয়।
নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উপজেলার নীলক্ষা এলাকা দিয়ে নৌকা নিয়ে পালানোর সময় মেঘনা নদী থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। তাদের কাছে ৯টি আগ্নোয়াস্ত্র ও গুলি পাওয়া গেছে।
এর আগে ১৬ নভেম্বর শুক্রবার মূলত বাঁশগাড়ি ও নীলক্ষা ইউনিয়নে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই এ সংঘর্ষ ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এই আধিপত্য দীর্ঘদিনের। দুই দলের দুই নেতা সাহেদ সরকার ও সিরাজুল চেয়ারম্যান মারা যাওয়ার পর কিছুদিন এই সংঘর্ষ বন্ধ ছিল।
শুক্রবার সকাল থেকে হঠাৎ সাহেদ সরকারের সমর্থকরা অস্ত্র নিয়ে গ্রামটি নিয়ন্ত্রণ নিতে চায়। ওই সময় প্রতিপক্ষ সাবেক চেয়ারম্যান সিরাজুল সমর্থকরা বাধা দেয়। এ নিয়ে উভয় গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
এ সংঘর্ষ বাঁশগাড়ী ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী ইউনিয়ন নিলক্ষার গোপিনাথপুর গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে। তখন দুই গ্রুপের সমর্থকরাই এ সংঘের্ষ জড়িয়ে পড়ে। এতে হামলা পাল্টা হামলা ও সংঘর্ষে চারজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে অবস্থান করছে বলে জানান নরসিংদী অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাকির হাসান।


