নিজের দেশকে পরমাণু শক্তিধর বানাতে চান এরদোগান
সগীর আহমদ চৌধুরী : “তুরস্কের পরমাণু অস্ত্র নেই মানতে পারছেন না এরদোগান”। ভাই এরদোয়ান তাহলে পরমাণু বানাবেন বলে চিন্তা করছেন! শুকরিয়া, এটি করা হলে খোদার কাবা ঘর পুননির্মাণের চেয়ে বেশি পুণ্যের কাজ হবে, বেশি উপকারী হবে।
খলীফা দ্বিতীয় আবদুল হামীদ রহিমাহুল্লাহ ইস্তানবুল থেকে মদীনা শরীফ পর্যন্ত ৩.৫ বিলিয়ন লিরা খরচ করে ১৩২০ কিলোমিটা দীর্ঘ হেজায রেলওয়ে নির্মাণ করেছিলেন। তিনি নবীজীর আশেক ছিলেন, আবেগ তাড়িত হয়ে হেজায রেলওয়ের চেয়ে যদি এ টাকা দিয়ে পরমাণু প্রকল্প গ্রহণ করতেন তাহলে আজকের তুরস্ক, তৎকালীন খেলাফতে উসমানিয়া এবং মুসলিম বিশ্বের চেহেরাটাই হতো অন্য রকম।
হেজায রেলওয়ে নির্মাণে খেলাফতের শাসনাধীন বিভিন্ন প্রান্তের মুসলিমরা খলীফার কাছে হাদিয়া পাঠিয়েছিলেন। হায়দারাবাদের তৎকালীন নিজাম মরহুম উসমান আলী খান তহবীল গঠনে উল্লেখযোগ্য অনুদান দিয়েছিলেন। হিন্দুস্তানের মুসলিমরা এগিয়ে এসেছিলেন, মা-বোনরা নাক-কানের দুল, গলার হার এবং গহনা পাটি খুলে খুলে পাঠিয়েছিলেন সুদূর তুরস্কে খলীফার দরবারে।
আজকে এরদোয়ান বা মুসলিম বিশ্বের সাহসী কোনো নেতা যদি পরমাণু বোমা বানাতে এগিয়ে আসেন তাহলে প্রয়োজন হলে মুসলমানদের সর্বোচ্চটা দিয়ে তাঁকে সাহায্য করা উচিত। ইন শা আল্লাহ, প্রয়োজন হলে আমি আমার সর্বোচ্চটা দেব।
লেখক : রাজনীতিক ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক


