নৈতিক অবক্ষয়রোধে ইসলামে ফিরতে হবে : ফয়জুল করীম
পাথেয় রিপোর্ট : নৈতিকতার চরম অবক্ষয় থেকে বাচঁতে সকলকে ইসলামের ছায়াতলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই।তিনি নৈতিকতার ভয়াবহ অবক্ষয় থেকে যুব সমাজকে উদ্ধার করতে না পারলে দেশ আরো ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে ধাবিত হবে। সমাজের প্রাণশক্তি যুবকদেরকে মাদক, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি থেকে মুক্ত করতে হবে।
যুব সমাজ ছাড়া দেশ গড়া বা দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যাবে না উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, যুব সমাজই হল দেশ গড়ার প্রধান হাতিয়ার। অথচ সঠিক পরিকল্পনার অভাবে আমাদের দেশের কিছু যুবকরা আজ খুন, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, মাদক, চোরাচালানসহ সকল ধরণের অপকর্মে লিপ্ত। এই যুব সমাজের আদর্শিক উন্নয়ন ঘটাতে পারলে আমাদের সমাজের পুরো চিত্র পাল্টে যেত।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম আরও বলেন, একের পর এক নুসরাতরা লালসার শিকার হয়ে জীবন দিচ্ছে। আর কোন মা-বোনরা যেন নুসরাতের পরিণতি বরণ করতে না হয় এজন্য নুসরাতের হত্যাকারীদেরকে কঠোর শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে।
১৭ এপ্রিল ২০১৯ মঙ্গলবার বি-বাড়ীয়া জেলার স্থানীয় বন্ধন কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত ইসলামী যুব আন্দোলন বি-বাড়ীয়া জেলা যুব কনভেনশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা সভাপতি মুফতী আশরাফুল ইসলাম বিলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কনভেনশনে বিশেষ অতিথি ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মুফতী আব্দুর রহমান গিলমান। বক্তব্য রাখেন জেলা আন্দোলনের সভাপতি মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি সৈয়দ আনোয়ার হোসেন লিটন, ওবায়দুল হক, মাওলানা শরীফ উদ্দিন, শেখ শাহ আলম, ইউনুছ আহমদ প্রমুখ।
মুফতী ফয়জুল করীম আরও বলেন, সরকার নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়ে দেশে বাকশাল কায়েমের অপচেষ্টা করছে। জনগণের ভোটারাধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশের সকল শ্রেণী-পেশার মানুষদেরকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
এদিকে মুফতী ফয়জুল করীমের জানতে চাওয়া হয়, আপনাকে বাংলাদেশের ইসলামিক তরুণদের অনেক বড় একজন ফ্যান বলা যায়, তো আপনি ব্যক্তিগতভাবে তরুণদের উৎসাহিত করার জন্যে, মিডিয়াকর্মী বানানোর জন্যে অথবা মিডিয়ার ক্ষেত্র প্রতিষ্ঠার জন্যে আপনার চেষ্টা কতটুকু?
মুফতী ফয়জুল করীম বলেন, দেখুন, আমি ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়ার মধ্যে একদল গোষ্ঠী তৈরি করে ফেলেছি এবং তাদেরকে নিয়ে বৈঠক করতেছি। আর আমরা একটা ওয়েবসাইট খুলে ফেলেছি, আমাদের প্রিন্ট মিডিয়াতে কিছু সাপ্তাহিক মাসিক পত্রিকাও আছে এবং দৈনিক একটা পত্রিকা করার জন্যে উদ্যোগী হয়েছি। পাশাপাশি বিশেষ করে একদল মিডিয়াকর্মী তৈরি করার জন্যে আমরা বিশেষভাবে চেষ্টা করতেছি।


