পাথেয় রিপোর্ট : হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত অর্ধশতাধিক ঘর বাড়ি। প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে সোমবার সকালে নোয়াখালী দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপে অর্ধশতাধিক ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। ফসলী জমি ও গবাদি পশুসহ ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে ব্যাপক। এসময় নদীতে থাকা ৫টি জেলে নৌকার অন্তত ২০ জন নিখোঁজ হন।
জানা যায়, ঘূর্ণিঝড়ে নিঝুমদ্বীপের নামার বাজারের পশ্চিম পার্শ্বে ২ নম্বর ওয়ার্ডে প্রায় অর্ধশতাধিক ঘর বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। এসময় কাঁচা ঘরবাড়ি, দোকান পাট, গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়। একই সময়ে নদীতে থাকা ৫টি জেলে নৌকা ঝড়ের কবলে পড়ে নিখোঁজ হয় অন্তত ২০ জন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেহরাজ উদ্দিন বলেন, এক ঘণ্টার ঝড়ে দ্বীপের তিন শতাধিক কাঁচা-পাকা ঘর বিধ্বস্ত ও বিভিন্ন স্থানে খোলা মাঠে শুকাতে দেয়া অন্তত ২০ হাজার মণ শুঁটকি নষ্ট হয়ে যায়। এ সময় নদীতে মাছ ধরা অবস্থায় ২০ জেলেসহ পাঁচটি নৌকা নিখোঁজ হয়। এখনো তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি।
নিঝুমদ্বীপের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কেফায়েতুল্লাহ জানান, স্থানীয়ভাবে নিখোঁজদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এদিকে ঘূর্ণিঝড়ে হাতিয়ার তমরদ্দি ঘাট থেকে চেয়ারম্যান ঘাটের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া একটি ধান বোঝায় ট্রলার মেঘনা নদীতে ডুবে যায়। ঘটনাটি নদীর তীরে হওয়ায় ট্রলারের চালক ও মাঝি মাল্লারা তীরে উঠতে সক্ষম হয়। ট্রলারটি হাতিয়ার তমরদ্দি ইউনিয়নের ইব্রাহিম মাঝির বলে জানা যায়।
হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর এ আলম জানান, ঝড়ে নিখোঁজ জেলেদেরকে উদ্ধারের বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির হিসেব নিরূপণ করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্তদেরকে সরকারিভাবে সহায়তা দেয়ার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।


