বাবার কাছে বিমান ছিনতাইচেষ্টাকারী পলাশের লাশ হস্তান্তর

বাবার কাছে বিমান ছিনতাইচেষ্টাকারী পলাশের লাশ হস্তান্তর

পাথেয় রিপোর্ট : চট্টগ্রামে বিমান ছিনতাই চেষ্টাকারী কমান্ডো অভিযানে নিহত পলাশ আহমেদের লাশ গ্রহণ করেছেন তার বাবা। বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় উড়োজাহাজ পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ার লাইন্সের বিমান ‘ময়ূরপঙ্খী’ ছিনতাইচেষ্টাকারী পলাশ এর বাবা পিয়ার জাহান সরদার।

সোমবার রাত ১২টার পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গ থেকে পতেঙ্গা থানা পুলিশের তত্ত্বাবধানে পিয়ার সরদার ছেলের লাশ গ্রহণ করেন। এর আগে পতেঙ্গা থানা পুলিশের একটি দল নারায়নগঞ্জ থেকে পলাশের বাবাকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসে।

পতেঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ উৎপল বড়ুয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পলাশের মরদেহ শনাক্ত এবং লাশ হস্তান্তরের জন্য পলাশের বাবা পিয়ার জাহান সরদারকে চট্টগ্রামে নিয়ে আসা হয়। পরে তার কাছে ছেলের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। লাশ হস্তান্তরের পূর্বে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে। হস্তান্তরের পূর্বে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।

প্রসঙ্গত, ঢাকা থেকে দুবাই যাচ্ছিল বাংলাদেশ বিমানের নতুন উড়োজাহাজ ময়ূরপঙ্খী। উড়োজাহাজটি ১৫ হাজার ফুট ওপরে উঠার পর যাত্রীদের আসনে থাকা এক যুবক উঠে ককপিটের দিকে আসেন। এ সময় ওই যুবক এক ক্রুর কাছে গিয়ে বলেন, আমি বিমানটি ছিনতাই করব। আমার কাছে পিস্তল ও বোমা আছে। ককপিট না খুললে আমি বিমান উড়িয়ে দেব। এর মধ্যে অন্য কেবিন ক্রুরা ককপিটে থাকা পাইলট ও সহকারী পাইলটকে গোপনে বার্তা দেন যে, উড়োজাহাজ ছিনতাইয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। ততক্ষণে চট্টগ্রামের শাহ আমানত বিমানবন্দরে অবতরণ করে উড়োজাহাজ। এরপরই রানওয়েতে বিমানটি ঘিরে ফেলে সেনাবাহিনী, র‌্যাব ও পুলিশ। পরে কমান্ড অভিযানে ওই যুবক নিহত হন। পরদিন সোমবার র‌্যাবের বার্তায় বলা হয়, চট্টগ্রামে কমান্ডো অভিযানে নিহত ওই যুবকের আঙুলের ছাপ র‌্যাব ক্রিমিনাল ডেটাবেইসের একজন অপরাধীর সঙ্গে মিলে যায়। সেখানে রক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, তার নাম মো. পলাশ আহমেদ। পলাশ নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার পিরিজপুরের দুধঘাটা ইউনিয়নের বাসিন্দা। তার বাবার নাম পিয়ার জাহান সরদার।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *