প্রশংসায় ভাসছেন ঊনিশের তারুণ্য
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: বাংলাদেশ বিশ্ব জয় করেছে। শুনতেই অবাক হয়ে তাকিয়ে রয় যেনো সেই বিশ্বই। রোববার ভারতের ধারাভাষ্যকাররাও খুবই প্রশংসা করেছে অধিনায়ক আকবর আলীর। ফাইনালের দিনে তিনি অপরাজিত ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে বিশ্বকাপের স্বাদ পাইয়ে দিয়েছেন। এটা কত বড় কাজ করেছেন হয়তো নিজেও জাননে না। কী বলতে চান আকবর আলী।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান মুশফিকুর রহীম বিশ্বকাপ জয়ে আনন্দিত হয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন ঊনিশ দলের। নিজের ফেসবুক পেজে মুশফিক লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ! কোনো সন্দেহ ছাড়াই আমি বলে দিতে পারি, বাংলাদেশের ক্রিকেটার হিসেবে এটাই আমার জীবনের সেরা সাফল্য। এই ছেলেরা আমাকে অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি গর্বিত করলো। অভিনন্দন সুপারস্টাররা।’
সে অপেক্ষার প্রহর শেষ করলেন আকবর আলী, শরীফুল ইসলামরা। ২০২০ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে, দেশকে প্রথমবারের মতো এনে দিয়েছেন কোনো বিশ্বকাপের শিরোপা। শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনাল ম্যাচে শক্তিশালী ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশের যুবারা।
চমকিত সাফল্য উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তাজা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘অভিনন্দন বাংলাদেশ। বিশেষ করে আমার শহরের ছেলে অভিষেক দাস। এছাড়া রাকিবুল, শরীফুল, ইমন এবং দলের সব খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ- সবাইকে অভিনন্দন। তুমি দুর্দান্ত আকবর (আলি)। শুধু আবেগটা ধরে রাখতে পারলেই হবে। কী অসাধারণ সাফল্য। বাংলাদেশের প্রতিটা মানুষের জন্য অনিন্দ্য সুন্দর মুহূর্ত।’ ব্যক্তিগত ৮৮ রানে তাঁকে তানজীদ হাসানের ক্যাচ বানিয়ে ফিরিয়েছেন শরিফুল ইসলাম। এই শরিফ ১০ ওভার বোলিং করে ৩১ রান দিয়ে তুলে নিয়েছেন ২ উইকেট। যশস্বী জয়সোয়াল ফিরেছেন ১২১ বলে ৮৮ রান করে। ভারতের পক্ষে দ্বিতীয় সেরা সংগ্রহ তিলক ভার্মার। তিনি ৬৫ বলে করেছেন ৩৮। জয়সোয়াল যখন ফেরেন, তখন ভারতীয় দলের সংগ্রহ ১৫৬/৩। তারা শেষ ৭ উইকেট হারায় মাত্র ২১ রানে।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্য শরিফুল ছাড়াও দুর্দান্ত ছিলেন তানজীম হাসান। ৮.২ ওভারে ২৫ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন তিনি। নিজের প্রথম দুই ওভারই মেডেন দিয়ে শুরু করেছিলেন তিনি। অভিষেক দাস উইকেটের দিক দিয়ে সবচেয়ে সফল। তিনি ৪০ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। বাঁ হাতি স্পিনার রকিবুল হাসান নিয়েছেন এক উইকেট। চূড়ান্ত সাফল্য পেতে শেষ ধাপ জয় করা এখনো বাকি। ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে হবে তৌহিদ হৃদয়, তানজীদ হাসান, শাহাদাত হোসেনদের। কাজ এখনো অনেক বাকি। যুবারা কি পারবেন শেষ ভালোটা নিশ্চিত করে দেশকে আনন্দে ভাসাতে! অভিনন্দন জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং দেশের মানুষ। আমরাও অভিনন্দন জানাই ঊনিশের এই টগবগে তরুণদের। বিশ্বজয়ের এই ধারা যেনো সবখানে ছুঁয়ে যায়।


