প্রিয়া সাহাকে আইনের আওতায় আনুন : চরমোনাই পীর

প্রিয়া সাহাকে আইনের আওতায় আনুন : চরমোনাই পীর

প্রিয়া সাহাকে আইনের আওতায় আনুন : চরমোনাই পীর

পাথেয় রিপোর্ট : বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক প্রিয়া সাহা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সুনাম ক্ষুণ্নকারী যে বক্তব্য দিয়েছেন তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম। তিনি বলেন, বাংলাদেশে মুসলিম মৌলবাদীরা হিন্দুদের জায়গাজমি দখল ও ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে মর্মে দেয়া মিথ্যা বক্তব্যে ৯২ ভাগ মুসলমানকে ব্যথিত ও মর্মাহত করেছে।

রোববার এক গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, তার এ বক্তব্য সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কাছে দেয়া প্রিয়া সাহার অভিযোগ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। বাংলাদেশে মুসলিম মৌলবাদী কর্তৃক ‘৩ কোটি ৭০ লাখ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ধর্মালম্বী গুম হওয়ার’ কথা বলে ট্রাম্পের কাছে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও বানোয়াট কথা। তিনি এই বক্তব্যের মাধ্যমে শুধু এ দেশের মুসলমানদের ভাবমূর্তি নষ্টেরই চেষ্টা করেননি, বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সুনাম ক্ষুণ্ন ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অপচেষ্টা চালিয়েছেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশে সব সংখ্যালঘুই সুখে-শান্তিতে বসবাস করছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের হীন উদ্দেশ্যেই প্রিয়া সাহা বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের সম্পর্কে মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে পরিস্থিতি ঘোলা করার অপচেষ্টা চালিয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে তিন কোটি ৭০ লাখ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানকে গুম করা হয়েছে, এত অধিকসংখ্যক সংখ্যালঘু বাংলাদেশে নেই। তাহলে এত অধিকসংখ্যক সংখ্যালঘু গুম হল কিভাবে? এতেই স্পষ্টভাবে বুঝা যাচ্ছে যে, তার এ বক্তব্য নির্জলা মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়। প্রিয়া সাহার এই বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহীর শামিল। তিনি সরকারকে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *