ফাইনালে বাংলাদেশ

ফাইনালে বাংলাদেশ

পাথেয় ডেস্ক : এশিয়া কাপ সুপার ফোরের শেষ ম্যাচটি রূপ নিয়েছিল সেমি-ফাইনালে। বুধবার আবু ধাবির সেই লড়াইয়ে পাকিস্তানকে ৩৭ রানে হারিয়ে বাংলাদেশ পা রাখল ফাইনালের মঞ্চে। শুক্রবার দুবাইয়ের ফাইনালে আগে থেকেই অপেক্ষায় ভারত।

এবার নিয়ে গত চার এশিয়া কাপের তিনটিতেই ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ। তবে গত তিনটি আসর ছিল দেশের মাটিতে। এবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের কঠিন কন্ডিশন ও চোট-আঘাতের অসংখ্য ছোবল সামলে ফাইনাল।

টপ অর্ডারের ধ্বংসস্তুপ থেকে বাংলাদেশকে আবারও টেনে তোলেন মুশফিক। বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯৯ রানে আউট হওয়ার হতাশায় পুড়েছেন। তবে মোহাম্মদ মিঠুনের সঙ্গে তার জুটির সৌজন্যেই বাংলাদেশ যেতে পারে ২৩৯ পর্যন্ত।

রানটা লড়াই করার মতো হলেও ছিল না জয়ের মতো। মুস্তাফিজ-মিরাজদের দুর্দান্ত বোলিং সেটিকেই বানিয়ে ছাড়ল যথেষ্ট। পাকিস্তান থমকে গেছে ২০২ রানে। দুর্দান্ত এই জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছে লড়াকু এক জুটি। চতুর্থ উইকেটে ১৪৪ রান তুলেছেন মুশফিক ও মিঠুন। পাকিস্তানের বিপক্ষে এই উইকেটে এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ।

নিয়মিত বোলার মেহেদী হাসান মিরাজ যথারীতি তাঁর সেরাটা দেওয়ার সাধ্যমতো চেষ্টায় সফল হলেন। সাকিব আল হাসানের অনুপস্থিতিতে অনিয়মিত বোলার

মাহমুদ উল্লাহও যথাসাধ্য উজাড় করে দিলেন নিজেকে। এঁদের সঙ্গে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করলেন লিটন কুমার দাশও। এই তিনের যোগফলে ফেঁসে যেতে থাকা ফাইনালের স্বপ্নও এর পুরো আকার নিয়ে মুঠোবন্দি হলো বাংলাদেশের।

মুঠো থেকে বেরিয়ে যাওয়ারও উপক্রম হয়েছিল। এমনিতে এই এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে নিয়মিতই বিপদ থেকে উদ্ধার করে আসা শোয়েব মালিক গেলেও থেকে যাওয়া ওপেনার ইমাম-উল হক আরেকটি জুটি গড়ে মিলিয়ে যেতে থাকা জয়ের রেখা ফিরিয়ে এনেছিলেন। তাতে সহযোগী হয়ে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে পড়তে হয়েছিল লিটনকেও, মুস্তাফিজুর রহমানের বলে ২২ রানে থাকা আসিফ আলীর সহজ ক্যাচ ফেলে। তাতেই ৭১ রানের পার্টনারশিপ গড়া ইমাম-আসিফ পাকিস্তানকে দেখাতে শুরু করে দিয়েছিলেন জয়ের তীরও। কিন্তু সেই তীরে পাকিস্তান নয়, শেষ পর্যন্ত ভিড়ল বাংলাদেশ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *