পাথেয় রিপোর্ট : বন্যাকবলিত এলাকায় বন্যার্তদের সাহায্যের জন্য সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম চরমোনাই পীর।
বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) গণমাধ্যমে এক বিবৃতিতে দিয়ে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, ভয়াবহ বন্যায় দেশের বিভিন্ন জেলার মানুষ পানিতে ভাসছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ আজ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অনেক মানুষ ইতোমধ্যেই মারা গেছে। বহু গবাদী পশু ভেসে যাচ্ছে। বন্যার্ত মানুষের আহাজারিতে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠছে।
তিনি বলেন, দেশের কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর, লালমনিরহাট, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল প্রভৃতি জেলার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত। অনেক জেলা বন্যার পানিতে ভাসছে। আরো নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। বন্যাকবলিত উত্তরবঙ্গে উদ্ধার তৎপরতা আরো জোরদার করা দরকার। সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ তৎপরতা আরো বাড়ানো দরকার। এমতাবস্থায় বন্যাকবলিত দুর্গত এলাকা ঘোষণা করে সেখানে জরুরী ভিত্তিতে উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা চালানো প্রয়োজন। উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতায় সেনা বাহিনী ও বিমান বাহিনী নিয়োগ করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে বাচাতে হবে।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর বলেন, বন্যা কবলিত আশরাফুল মাখলুক বনি আদম বাঁচার জন্য রাব্বুল আলামিনের দরবারে ফরিয়াদ করছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে। বানভাসী মানুষ বাঁচার জন্য আশ্রয় খুঁজছে। বানভাসী মানুষ একটু আশ্রয় ও খাবারের জন্য আর্তনাদ করছে। তিনি বন্যাদুর্গতদের পাশে সরকারের পাশাপাশি সমাজের বিত্তবান, সেবা সংস্থা ও সংগঠনের সর্বস্তরের নেতাকর্মীদেরকে এগিয়ে আসার আসতে ইসলামী আন্দোলনের ত্রাণ তহবিলে সাহায্য করার আহ্বান জানান।
৫টি ত্রাণ টিম গঠন : ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেলাভিত্তিক ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ত্রাণ তৎপরতা আরো জোরদার করতে সংগঠনের কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে ৫টি ত্রাণ টিম গঠন করে সে আলোকে কার্যক্রম পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
টিম প্রদানের দায়িত্ব পালন করবেন ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অধ্যাপক মাহবুবর, সংগঠনের রাজনৈতিক উপদেষ্টা অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ঢাকা দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম, উত্তর সভাপতি প্রিন্সিপাল শেখ ফজলে বারী মাসউদ, কেএম আতিকুর রহমান রহমান, আহমদ আবদুল কাইয়ূম, আলহাজ্ব আব্দুর রহমান, মাওলানা খলিলুর রহমান, অধ্যাপক সৈয়দ বেলায়েত হোসেন, শ্রমিকনেতা হাফেজ মাওলানা ছিদ্দিকুর রহমান, ছাত্রনেতা শেখ ফজলুল করীম মারূফ, শিক্ষক নেতা মাওলানা এবিএম জাকারিয়া, শহিদুল ইসলাম কবিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।


