‘বাতাসে পাপাচারের ঘ্রাণ, জিকিরের আওয়াজ ছড়ানোর আহ্বান’

‘বাতাসে পাপাচারের ঘ্রাণ, জিকিরের আওয়াজ ছড়ানোর আহ্বান’

‘বাতাসে পাপাচারের ঘ্রাণ, জিকিরের আওয়াজ ছড়ানোর আহ্বান’

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বাতাসে জিকিরের আওয়াজ ছড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান, শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, শাইখুল হাদীস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। তিনি বলেছেন, বাতাসে এখন সবরকমের পাপাচারের ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়েছে। মুসলিমরাও দুর্নীতি, মিথ্যা, গীবত, পরনিন্দা, জিনা-ব্যভিচার, সবধরণের গুনাহে জড়িয়ে পড়েছে। সর্বত্রে বাতাস দূষিত হয়ে গেছে।

বাতাসে নেক আমলের শুদ্ধতা ছড়িয়ে দিয়ে, আল্লাহ ও তাঁর নামের জিকির করে, বাতাসকে ভারী করার আহ্বান জানান আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বাদ এশা কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের বেলঙ্কা জামিয়াতুল ইসলাহ ময়দানে আয়োজিত ইসলাহী ইজতেমার কিতাবী তালিমে মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী (রহ.)-এর এই খলীফা এসব কথা বলেন।

নেক এবং এক হওয়ার কথা বলে আল্লাহর রহমতের দিকে ফিরে আসার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান বলেন, বর্তমান সময়ে নেক এবং এক হওয়ার কোন বিকল্প নেই। নেক আমল করে, নেক এবং এক হয়ে আল্লাহর রহমতের দিকে ফিরে এলে পৃথিবীতে শান্তি আসবে। দ্বীনের কাজে আল্লাহ তাআলা সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-কে যেভাবে সাহায্য করেছেন, আমাদেরকেও সেভাবে সাহায্য করবেন, যদি আমরা নেক এবং এক হয়ে তাঁর রহমতের দিকে ফিরে আসতে পারি।

ইজতেমা চলাকালীন সময়ে বেশি বেশি আল্লাহ ও তাঁর নামের জিকির করার কথা উল্লেখ করে শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে মধুর শব্দ ‘আল্লাহ ও তাঁর নামের জিকির’। আল্লাহ নামের জিকিরের স্বাদ, আল্লাহ নামের স্বাদ কখনো কমে না, বরং যত বেশি বেশি করবে ততো স্বাদ বৃদ্ধি পাবে। আল্লাহর নামের জিকিরে কখনো বিরক্তিও আসে না। যে ব্যক্তি যত বেশি জিকির করবে সে আল্লাহর কাছে ততো প্রিয় হতে থাকবে।

মানুষ মানুষকে ভালোবাসতে ভুলে গেছে মন্তব্য করে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার চেয়ারম্যান বলেন, ইসলাম প্রেম ও ভালোবাসার ধর্ম। ইসলাম মানুষকে ভালোবাসতে শিখায়। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ইসলামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে- ‘আল্লাহর জন্যে মানুষকে ভালোবাসা’। অথচ আমাদের সমাজ থেকে ভালোবাসা দূর হয়েছে যাচ্ছে। মানুষ এখন আর মানুষকে ভালোবাসে না, বরং মানুষ এখন মানুষকে ভয় পায়।

কিতাবী তালিমের পর আগত মুসল্লীদের অনেকেই মাওলানা সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী রহ.-এর খলীফা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ-এর হাতে বায়আত গ্রহণ করেন।

বায়আত শেষে আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করে দেশ-জাতি এবং মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করা হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *