বাদশাহর আমন্ত্রণে আল্লামা মাসঊদের মক্কা সামিটে অংশগ্রহণ ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়

বাদশাহর আমন্ত্রণে আল্লামা মাসঊদের মক্কা সামিটে অংশগ্রহণ ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়

বাদশাহর আমন্ত্রণে আল্লামা মাসঊদের মক্কা সামিটে অংশগ্রহণ ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়

পাথেয় রিপোর্ট : রাবেতার জাঁকালো সেমিনারে সারগর্ভ ভাষণ প্রদান ও বাদশা সালমান বিন আব্দুল আজিজের রাজকীয় আতিথ্য গ্রহণের পরপরই বাদশার পক্ষ থেকে নিমন্ত্রণ পান ওআইসির ১৪ তম শীর্ষ সম্মেলনে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের সাথে সাথে ওআইসির মক্কা সামিটে যোগদান করেন আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। সেখানে কুশল বিনিময় করেন ইসলামী বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয়নেতাদের সঙ্গে ৷

সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এতে মিয়ানমার থেকে এসে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে মুসলিম দেশগুলোকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের সঙ্গে ইসলামের কোনও সম্পর্ক নেই। সন্ত্রাসবাদ বন্ধে মুসলিম দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। ফিলিস্তিন ইস্যুকে কেন্দ্র করেই ওআইসির জন্ম উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ সংকট আজও বিদ্যমান। বিভেদ ভুলে ভ্রাতৃত্বের চর্চাতেই উম্মাহর সমৃদ্ধি বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ইমরান খানের নেতৃত্বে পাকিস্তানী প্রতিনিধি দলের সদস্য পিটিআইয়ের উলামা শাখা প্রধান পাকিস্তানে এ বছর অনুষ্ঠিতব্য শান্তি সম্মেলনে আমন্ত্রণ করেন আল্লামা ফরীদ উদ্দীম মাসঊদকে। তবে তিনি সেখানে অংশগ্রহণ করবেন বলে নিশ্চিতভাবে কিছু বলেননি।

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ৩০ মে রাবেতা আলামে ইসলামীর ‘কিয়ামুল ওয়াসাতিয়্যা ওয়া ই’তিদাল’ শীর্ষক সেমিনারে যোগদান করেন আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

এবারই প্রথম দেশীয় পরিচিতিতে বাংলাদেশী এক বিরাট প্রতিনিধি দল রাবেতার কোন সেমিনারে অংশগ্রহণ করলেন। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কেবল আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদকে বক্তৃতা প্রদানের অনুরোধ জানানো হয়। ইতোপূর্বে হয় ব্যক্তিগত অবস্থানের সূত্রে অথবা জামায়াতপন্থীদের পাকিস্তানের সাথে সম্পৃক্ততার ভিত্তিতে আমন্ত্রণ করা হতো। রাবেতার এই উপলব্ধি সামগ্রিকভাবে সৌদী আরবের সাথে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের ফল।
সূত্র জানায়, এই পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশী আলেম-উলামা ও সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ আল্লামা মাসঊদকে অভিনন্দন জানান।
ওআইসির অনুষ্ঠান শেষে গতকাল (শনিপবার) রাতে দেশে ফিরেন আল্লামা মাসঊদ। শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার নেতৃবৃন্দ আল্লামা মাসঊদকে স্বাগত জানান।

পরদিন (রবিবার) রাজধানীর খিলগাঁও হাজিপাড়া ঝিল মসজিদে ই’তিকাফে শরিক হন। সেখানে পূর্ব থেকে প্রায় তিনশ ইতেকাফরত মুসল্লী তাঁর জন্য অপেক্ষমান ছিলেন।

ইন্তেজামেয়া কমিটির সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৮ রমজান দিবাগত রাতে ঝিল মসজিদে কিয়ামুল লাইলের খতম হবে। বিগত ২০ রমজান রাতে শুরু হয়ে ৯ দিনে এক খতম কুরআন তেলাওয়াত করা হচ্ছে কিয়ামুল লাইলে। খতম পরবর্তীতে দু’আয় শরীক হওয়ার জন্য সবাইকে আহবান জানানো হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *