রাজধানী বাবুবাজার ব্রিজে নতুন করে বাড়তি গাড়ির চাপ থাকায় তীব্র যানজট দেখা দিয়েছে। এতে করে ব্রিজ পার হতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) থেকে আগামী ৬ মার্চ পর্যন্ত পোস্তগোলা সেতু ব্যবহারকারী যানবাহনকে বিকল্প পথে চলাচলের পথ হিসেবে বাবুবাজার দিয়ে চলায় বেলা বাড়ার সাথে সাথে এই যানজট সৃষ্টি হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পোস্তগোলা সেতু রেট্রোফিটিং এর কাজ করায় যাত্রাবাড়ী থেকে পোস্তগোলা সেতু দিয়ে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যাতায়াত করে সেগুলোকে ধোলাইরপাড় বাসস্ট্যান্ড ও বাবুবাজার সেতু ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে সওজ। একইভাবে গাবতলী থেকে এক্সপ্রেসওয়েতে যাতায়াত করা যানবাহনগুলোকে দেওয়া হয়েছে বাবুবাজার সেতু ব্যবহারের পরামর্শ।
সরজমিন বৃহস্পতিবার সপ্তাহের শেষ কর্ম দিবস ও নতুন করে গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় কেরানীগঞ্জ, নয়াবাজার, বংশাল, গুলিস্তানসহ বেশ কয়েকটি সড়কে ব্রিজের যানজটের প্রভাব পরেছে। বাবুবাজার দিয়ে আসা যাত্রীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে বসে থাকতে হচ্ছে। অনেকে হেঁটে পার হচ্ছেন ব্রিজ।
বাবুবাজার ব্রিজে যানজটে বসে থাকা শাহাদাত হোসেন নামের এক যাত্রী দেশ রূপান্তরকে বলেন, যানজটের জন্য অনেক সময় ধরে ব্রিজের ওপর বসে ছিলাম। বংশালে আসতে ১ ঘণ্টা ৩০ মিনিট সময় লেগে গেল। ট্রাফিক মনিটরিংয়ের ব্যাপক ঘাটতি আছে নয়াবাজারে। যার জন্য যানজট সামাল দিতে হিমশিম।
আরেক যাত্রী মো. হুমায়ুন বলেন, পুরান ঢাকার বংশাল ও নয়াবাজার এলাকার রাস্তায় খানাখন্দে ভরা। সিটি করপোরেশনের উচিত ছিল এই রাস্তাটি দ্রুত ঠিক করা। কিন্তু তারা এই রাস্তা ঠিক না করায় এখন আরও বেশি সমস্যা হয়ে যাচ্ছে এই পথ পাড়ি দিতে।
এদিকে আকাশ পরিবহনের চালকের সহকারী রাজন মিয়া বলেন, কেরানীগঞ্জ থেকে আজ গুলিস্তান আসতে ২ ঘণ্টার মতো সময় লেগেছে। বেশির ভাগ যাত্রী যানজটে বসে না থেকে গাড়ি থেকে নেমে যাচ্ছে। তেলের টাকা তুলতে হিমশিম খেতে হবে।
বাবুবাজারের দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) জানে আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, যানজট নিরসনের জন্য আমরা ঢাকা জেলা পুলিশের সাথে সমন্বয় করে কাজ করছি। ব্রিজ দিয়ে ধীরগতির যানজট চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি যানজট নিরসন করতে।


