বাড়ছে ডেঙ্গু প্রকোপ

বাড়ছে ডেঙ্গু প্রকোপ

বাড়ছে ডেঙ্গু প্রকোপ

গড়ে প্রতিদিন ১০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : রাজধানীতে ডেঙ্গুর প্রকোপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। ঢাকাসহ সারাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত এক সপ্তাহে গড়ে প্রতিদিন ১০ জনেরও বেশী রোগী সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৪২ জন। তাদের মধ্যে ঢাকা শিশু হাসপাতালে দুইজন, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একজন, বিজিবি হাসপাতাল পিলখানায় চারজন এবং বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ৩৩ জন ভর্তি রয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, চলতি বছর দেশের সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ছয় শতাধিক রোগী ভর্তি হয়েছেন। মাসওয়ারি হিসেবে জানুয়ারি থেকে ২ নভেম্বর (সোমবার) পর্যন্ত আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ১৯৯ জন, ৪৫ জন, ২৭ জন, ২৫ জন, ১০ জন, ২০ জন, ২৩ জন, ৬৮ জন, ৪৭ জন, ১৬৩ জন এবং নভেম্বরের দুইদিনে ২৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

গত এক সপ্তাহে সর্বমোট ৭৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে ৭৪ জন ঢাকায় এবং দুইজন ঢাকার বাইরে। গত ২৭ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত এক সপ্তাহে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৯ জন, ১০ জন, ৭ জন, ১৪ জন, ১১ জন, ১৫ জন ও ১০ জন।

আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে চারজন ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে সন্দেহ করে তথ্য উপাত্ত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও রোগ তত্ত্ববিদদের কাছে পর্যালোচনার জন্য পাঠানো হয়েছে। গত সোমবার (২ নভেম্বর) পর্যন্ত পর্যালোচনায় একজন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন বিশেষজ্ঞ কমিটি।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের একাধিক কর্মকর্তা বলেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কিছুটা বাড়লেও গত বছরের তুলনায় এখন সেটা খুবই কম। গত বছর আগষ্ট মাসে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ সংখ্যক ৫২ হাজার ৬৩৬ জন আক্রান্ত ও ৭১ জনের মৃত্যু হয়। কিন্তু চলতি বছর ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনের নগরপিতাদের নির্দেশনায় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করায় আক্রান্তের সংখ্যা গত বছরের তুলনায় সংখ্যায় খুবই নগন্য।

গত কয়েকদিন যাবত থেমে থেমে বৃষ্টিপাতের কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে। সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে তারা মনে করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *