পাথেয় রিপোর্ট : স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি ও তাদের দোসর বিএনপি-জামায়াতকে নির্মূল করেই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি বিএনপি-জামায়াতকে পাকিস্তানের ‘প্রেতাত্মা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৮ আগস্ট) বিকালে ঢাকা মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় শ্রমিক লীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, জাতীয় শ্রমিক লীগ সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ, শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ফজলুল হক মন্টু, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমালোচনা করে হানিফ বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক ছিলেন না। তিনি ছিলেন বঙ্গবন্ধুর শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতা ঘোষণার পাঠক মাত্র। এটা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর কোনো সুযোগ নেই।
তিনি আরও বলেন, জিয়া প্রকৃতপক্ষে দেশকে পুনরায় পাকিস্তানের প্রদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতেই কাজ করেছিলেন। খালেদা জিয়াও তার স্বামীর ধারাবাহিকতা রক্ষা করে বঙ্গবন্ধুর খুনি এবং পাকিস্তানের দোসর যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করেন। তাদের হাতে পতাকা তুলে দেন। একই ধারা অক্ষুণ্ণ রেখে তাদের সন্তান তারেক রহমান ছাত্রদল ও শিবিরকে একই মায়ের পেটের দুই ভাই বলে স্বীকৃতি দেন। এর মাধ্যমে তারা প্রমাণ করেছেন তারা স্বাধীনতার শত্রু।
বিএনপির রাজনীতির সমালোচনা করে হানিফ বলেন, আজকে গণতন্ত্র হরণের কথা বলা হচ্ছে। কিসের গণতন্ত্র? জীবন্ত মানুষকে পেট্রল দিয়ে পুড়িয়ে মারার নামই কি গণতন্ত্র? আগুন সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করা যাবে না- সেটার নামই কি গণতন্ত্র? এতিমের টাকা লুটে-পুটে খেলে বিচার করা যাবে না- তার নামই কি গণতন্ত্র? খালেদা জিয়ার পুত্র দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি বিদেশে বসে দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে যাবে কিন্তু কিছু বলা যাবে না, সেটাই কি গণতন্ত্র?


