ওয়ার্ল্ড ডেস্ক ● ইরানে তীব্র সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মধ্যেই সমালোচনার সুযোগ দেয়ার অঙ্গীকার করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি। তবে বিক্ষোভ করতে গিয়ে যে সহিংসতা হচ্ছে তা অগ্রহণযোগ্য বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
কয়েক দিন ধরে সরকারবিরোধী সহিংস বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে রোববার প্রথমবারের মতো মুখ খোলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।
এদিন টানা চার দিনের মতো তেহরানসহ ইরানের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীরা মিছিল করেছেন। আন্দোলনকারীদের পারস্পারিক যোগাযোগ ঠেকাতে কর্তৃপক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো বন্ধ করে দিয়েছে। চলমান এই বিক্ষোভ সম্পর্কে রুহানি চুপ থাকলেও অবশেষে তিনি তার মৌনতা ভেঙে একে ২০০৯ সালের গণবিক্ষোভের পর সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
বৃহস্পতিবার ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী মাশাদে বিক্ষোভ শুরু হয়। বিক্ষোভকারীরা দেশটির অর্থনীতির নাজুক পরিস্থিতির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেন। তবে শিগগিরই তা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে রূপ নেয় এবং ব্যাপক আকারে সারা দেশে তা ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় তারা ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক!’ বলে স্লোগান দেয়।
সরকারি প্রচারমাধ্যমের মতে, রুহানি মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে বলেছেন- সমালোচনা এমনকি প্রতিবাদ জানানোর জন্য জনগণ নিরঙ্কুশভাবে স্বাধীন। কিন্তু সহিংসতা ও জনগণের সম্পদ নষ্ট ভিন্নকথা।
তিনি বলেন, জনগণকে সরকারের বৈধ সমালোচনা ও প্রতিবাদের সুযোগ দেয়া উচিত।


