বেফাকের প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে নাম যুক্ত করায় গোলাম কিবরিয়া পলাশের প্রতিবাদ
পাথেয় রিপোর্ট : সম্প্রতি বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়ার ৪২তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে মাওলানা মাহবুবুল আলমের মিথ্যাচার ও প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে প্রতিবাদলিপি পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকমকে পাঠিয়েছেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা গোলাম কিবরিয়া পলাশ।
নিচে তার পাঠানো বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো-
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-এর ৪২তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে আটক মাওলানা মাহবুবুল আলমের মিথ্যাচার ও প্রোপাগাণ্ডার বিরুদ্ধে প্রতিবাদলিপি
বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-এর ৪২তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় ব্যাপকহারে প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া কওমি মাদরাসার ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। এই ন্যাক্যারজনক ঘটনায় বেফাক বোর্ডের তদন্তে অভিযুক্ত হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে মাও. মাহবুবুল আলম , পিতাঃ আবু বকর সিদ্দিক, ডাকির কান্দা, তারাকন্দা, ময়মনসিংহ। যিনি হালিমা সাদিয়া মহিলা মাদরাসা ময়মনসিংহ-এর প্রিন্সিপ্যাল। বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বোর্ড তাঁকে রেজায়ে মাওলা মহিলা মাদরাসা পরানগঞ্জ কেন্দ্রের ৪২ তম কেন্দ্রীয় পরীক্ষার হল সুপার নিযুক্ত করে। ১৮/০৮/২০১৯ তারিখে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে মাহবুবুল আলমের দেয়া এক জবানবন্দীতে আমরা জানতে পারি তিনি প্রশ্নপত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে না নিয়ে নিজ মাদরাসায় নিয়ে যায় এবং সেখান থেকে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বিভিন্ন স্থানে ফাঁস করে দেয়। এই ঘটনার তদন্ত করতঃ বেফাক বোর্ডের তদন্ত কমিটির দুই সদস্য মাওলানা ইলিয়াস ও মাওলানা ত্বহা তাঁকে ১৫/০৪/২০১৯ রোজ সোমবার বেফাক অফিসে এনে আটকে রাখে।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় , সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ঐ ভিডিওতে লক্ষ্য করা যাচ্ছে, প্রশ্নপত্র ফাসকারী এ মাহবুবুল আলম নিজে অথবা কারো প্ররোচনায় এ অপকর্মের দায়ে নিজের পাশাপাশি অন্যদেরকেও অভিযুক্ত করার হীন অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সে মতে আমি মাওলানা গোলাম কিবরিয়া পলাশ ও এডভোকেট মুফতি জসিম উদ্দিন কে প্ররোচনা দাতা হিসেবে উল্লেখ করতে শোনা গেছে।
আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে জানাচ্ছি প্রশ্নপত্র ফাঁসের মত এত গুরুতর অপরাধের দায়ে আটককৃত ব্যক্তি যিনি বর্তমানে বোর্ডের অফিসে আটক অবস্থায় আছে তাঁর বক্তব্যকে যাচাই বাছাই না করে কি করে বেফাক বোর্ড থেকে এভাবে অন্যদেরকে দোষী সাব্যস্ত করে ভিডিও প্রচার করে ! এর দ্বারা বেফাক বোর্ড চরম অবিবেচক এবং অপেশাদারীত্বের পরিচয় দিয়েছে।
আমরা এই মিথ্যাচারের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং সেই সাথে এই ন্যাক্যারজনক কাজের হোতা এবং তাঁকে প্ররোচনাদানকারী কুচক্রী মহলের বিচার কামনা করছি। যদি এই মিথ্যাচারের সঠিক জবাব ও বিচার না পাই তাহলে আমরা মাহবুবুল আলম ও তাঁর সাথে জড়িত ব্যক্তি এবং বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ বোর্ডের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব।
গোলাম কিবরিয়া পলাশ
সাংগঠনিক সম্পাদক
ময়মনসিংহ বিভাগীয় বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশ



