বৈশাখ উদযাপন করতে গিয়ে কিশোরী ধর্ষিত

বৈশাখ উদযাপন করতে গিয়ে কিশোরী ধর্ষিত

বৈশাখ উদযাপন করতে গিয়ে কিশোরী ধর্ষিত

পাথেয় রিপোর্ট : পহেলা বৈশাখ উদযাপন করতে গিয়ে ধর্ষিত হয়েছেন এক কিশোরী।চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার ওই কিশোরীকে রোববার রাতে তার বিশেষ স্থানে রক্তক্ষরণবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হযেছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম ভূঁইয়া সুত্রে জানা যায়, রোববার রাতে মেয়েটিকে পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে চমেক হাসপাতালে নিয়ে আসে মেয়েটির ভাই।

এ প্রসঙ্গে পটিয়া থানার ওসি বোরহান উদ্দিন বলেন, ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরী পটিয়া বিসিক এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন।কারখানার গাড়িচালক রিপনের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক হয়। রোববার বৈশাখ উদযাপন করতে তারা শহরে গিয়েছিল। সেখান থেকে রিপন মেয়েটিকে তার পরিচিত একজনের বাসায় নিয়ে যায় এবং সেখানে তাকে ধর্ষণ করে।

ওসি বলেন, মেয়েটি জানিয়েছে তার রক্তক্ষরণ হওয়ায় মান্নান ও নুরু নামে তার দুই বন্ধুকে দিয়ে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠিয়ে দেয় রিপন।

পুলিশ কর্মকর্তা বোরহান বলেন, মেয়েটিকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তা সে জানাতে পারেনি। শুধু বলেছে, ব্রিজের পর কোন এক জায়গায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

মেয়েটিকে সঙ্গে নিয়ে ধর্ষণের স্থান শনাক্ত করে অপরাধীকে গ্রেপ্তারে্র পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছেন ওসি।

এদিকে পহেলা বৈশাখের আগেই এক বিবৃতিতে হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা শাহ আহমদ শফী বলেছিলেন, কোনো মুসলমান মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিতে পারে না।পহেলা বৈশাখ উদযাপনের অন্যতম অনুসঙ্গ হিসেবে মঙ্গল শোভাযাত্রার যে আয়োজন করা হয় তা ইসলামি শরিয়ত সমর্থন করে না। কোনো মুসলমান মঙ্গল শোভাযাত্রায় অংশ নিতে পারে না।

তিনি বলেন, আর আমরা লক্ষ করছি এসব আয়োজনে ধীরে ধীরে যেভাবে বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ ঘটছে যা বাংলাদেশি মুসলমানদের জন্য কখনোই কল্যাণকর হবে না।

মানুষের জীবনের কল্যাণ ও মঙ্গল-অমঙ্গল সবকিছুই আমাদের সৃষ্টিকর্তা মহান আল্লাহ তাআলার হুকুমে হয়। পৃথিবীর সব বিশ্বাসীরা এটাই বিশ্বাস করেন। কোনো মূর্তি,ভাস্কর্য,পোস্টার, ফেস্টুন ও মুখোশে মঙ্গল-অমঙ্গল থাকতে পারে না। বাঘ, কুমির, বানর, পেঁচা, কাকাতুয়া, ময়ূর, দোয়েলসহ বিভিন্ন পশুপাখি মঙ্গল আনতে পারে না’।

বিবৃতিতে আহমদ শফি বলেন, ষোড়শ শতকে মোঘল সম্রাট আকবরের সময়ে বর্তমানের যে বাংলা বর্ষপঞ্জি তৈরি হয় তা ফসল রোপণ এবং কর আদায় সহজ করার উদ্দেশ্যেই করা হয়। হালখাতা, পিঠাপুলি বানানোর মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ যেভাবে উদযাপন হয়ে আসছিল তাতে নতুন নতুন যেসব আয়োজন যোগ হচ্ছে তাতে যেমন ধর্মীয় বিধানাবলির বিপরীতে অবস্থান নেয়া হচ্ছে তদ্রূপ আমাদের সংস্কৃতি হুমকিতে পড়ছে। কারণ জাতীয়তার চেয়ে জাতিসত্তার পরিচয় বড়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *