পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মহামারি করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ে ভারতে প্রতিদিন রেকর্ড সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যুহার। এ অবস্থায় রয়েছে তীব্র ওষুধ সংকট। ভারতে করোনা চিকিৎসায় রেমডেসিভিরের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় কোম্পানিগুলো সেই চাহিদা মেটাতে পারছে না। ফলে কালোবাজারে কয়েকগুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে এই ওষুধ।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার জানায়, শনিবার (১৮ এপ্রিল) মধ্য প্রদেশে রেমডেসিভির কালোবাজারির দায়ে এক চিকিৎসকসহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে দেশটির পুলিশ। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চার পিস ওষুধ। টাইমস অব ইন্ডিয়া জনায়, উদ্ধার হওয়া ওষুধগুলো বাংলাদেশে তৈরি। সেগুলো কালোবাজারে প্রতি পিস ২০ হাজার রুপি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছিল। কালোবাজারিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা ওষুধগুলোর গায়ে ‘রেমিভির ১০০’ লেখা ছিল, যা রেমডেসিভির ইনজেকশনের একটি ব্র্যান্ড। বাংলাদেশের এসকেএফ ফার্মাসিটিক্যাল এটি উৎপাদন করে।
ভারতীয় পুলিশের বরাতে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, কিছু লোক বেআইনিভাবে চড়া দামে রেমডেসিভির বিক্রির চেষ্টা করছে বলে খবর পায় তারা। তখন ক্রাইম ব্রাঞ্চ ক্রেতা সেজে কালোবাজারিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। চুক্তি হয়ে গেলে এক পুলিশ সদস্য সাদা পোশাকে ওধুষ আনতে যান। তার হাতে একটি ইনজেকশন তুলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রেতাকে আটক করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির তিন সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন পেশায় চিকিৎসক। ওষুধগুলো বৈধ পথে বাংলাদেশ থেকে আমদানি হয়েছিল নাকি আন্তর্জাতিক কালোবাজারি চক্রের হাত ঘুরে এসেছে তা তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় পুলিশ।


