‘ভারতের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও একাডেমিক সম্পদ দেওবন্দ’

‘ভারতের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও একাডেমিক সম্পদ দেওবন্দ’

‘ভারতের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও একাডেমিক সম্পদ দেওবন্দ’

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ঐতিহাসিক দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম দেওবন্দকে ভারতের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও একাডেমিক সম্পদ বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের আর্মি মেজর জেনারেল সুভাষ শেরন।

তিনি বলেন, দারুল উলূম দেওবন্দ মৌলিক মূল্যবোধে বৈশিষ্ট্যে পূর্ণ সভ্যতা ও সংস্কৃতি মানুষকে শিক্ষা দিচ্ছে। মুসলিম সমাজ তাদের সাহিত্য, সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক ব্যবহারে তা প্রয়োগ করছে। দেওবন্দের মাধ্যমে মুসলিম জনগোষ্ঠী সম্মলিতভাবে ভারতেরই এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করছে।
শনিবার (২২ জুন) আর্মি মেজর জেনারেল সুবাষ শেরন দারুল উলূম দেওবন্দে আসেন। দেওবন্দ মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম নোমানী তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় তিনি এসব কথা বলেন।

সুবাষ শেরনের সাথে আরও ছিলেন এসেছিলেন কর্নেল কালিদীপ কুমার ও অন্যান্য সামরিক বাহিনীর কর্মকর্তাগণ।

ডেইলি সাহারার সংবাদসূত্রে জানা যায়, দারুল উলূম দেওবন্দের মুহতামিম মুফতি আবুল কাসেম নোমানীকে সেনাবাহিনীর সম্মান সূচক পদক প্রদান করেন আর্মি মেজর জেনারেল সুভাষ শেরন।

সুভাষ শেরন বলেন, দারুল উলূম দেওবন্দে একটা ধর্মীয় মাদরাসা, যার শিক্ষা-দীক্ষা ও আন্দোলন কর্মসূচি বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, দেওবন্দ মাদরাসা ভারতের সম্পদ। ভারতের সভ্যতা, সংস্কৃতি ও একাডেমিক সম্পদ।

মুফতি আবুল কাসেম নোমানী সুভাষ শেরন ও তার সঙ্গীদের সাথে দারুল উলূম দেওবন্দ কী ও কেন? দেওবন্দ কী চায়, দেওবন্দের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য কী? ভারতের জন্য দেওবন্দ কি করতে চায়। ইলমে দ্বীন ও ইসলামের প্রচার ও বিকাশে দারুল উলূম দেওবন্দের অবদান বিশ্বের দরবারে কতটুকু, এসব নিয়ে বিস্তারিত আলাচনা তুলে ধরেন।

দারুল উলূম দেওবন্দ পরিদর্শন করে সুভাষ শেরন জানান, দেওবন্দ মাদরাসা আমাদের হৃদয় জয় করে নিয়েছে। দেওবন্দের আতিথেয়তায় আমরা মুগ্ধ। আমরা দেওবন্দ ও দেওবন্দের শিক্ষকদের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।

প্রসঙ্গত, দারুল উলূম দেওবন্দ ভারতের একটি প্রসিদ্ধ দ্বীনি মাদরাসা। এখান থেকে দেওবন্দি আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনও করেন এই প্রতিষ্ঠানের আলেমগণই।উত্তর প্রদেশের সাহারানপুর জেলার দেওবন্দ নামক স্থানে এই মাদরাসার অবস্থান। ১৮৬৬ সালে বেশ কয়েকজন বিশিষ্ট ইসলামি পণ্ডিত এটির প্রতিষ্ঠা করেন। মাওলানা মুহাম্মদ কাসেম নানুতাবি রহ. তাদের প্রধান ছিলেন। অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন মাওলানা রশিদ আহমদ গাঙ্গোহি ও হাজি সাইদ আবিদ হুসাইন।

অনুবাদ ও গ্রন্থনা : আদিল মাহমুদ

সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির

সূত্র : ডেইলি সাহারা, হামারা সমাজ, ডেইলি সাফাহাত

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *