ভোটের দিন মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন না সাংবাদিকরা

ভোটের দিন মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে পারবেন না সাংবাদিকরা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সব ধরনের নির্বাচনে সাংবাদিকদের মোটরসাইকেল ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। এ ছাড়া কোনো নির্দেশনা পালন না করলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ও নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নির্বাচনি সংবাদ সংগ্রহে গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নীতিমালা জারি করেছে কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন। দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের অন্তত ৮ মাস আগেই জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনের জন্য এই ‘সাংবাদিক নীতিমালা’ চূড়ান্ত করা হলো।

বুধবার (১২ এপ্রিল) ইসির জনসংযোগ শাখার সহকারী পরিচালক মো. আশাদুল হকের সই করা এ নীতিমালা জারি করা হয়।

মাঠ পর্যায়ে সাংবাদিকদের অন্যতম বাহন হচ্ছে মোটরসাইকেল, যা ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে গণমাধ্যমের কাজ করাই প্রায় অসম্ভব। এমন যৌক্তিকতা তুলে ধরে সাংবাদিকরা নির্বাচনে তাদের মোটরসাইকেলের ওপর বাধা না দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

ইসির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আশাদুল হকের জারি করা ওই নীতিমালায় বলা হয়েছে- সাংবাদিকদের যাতায়াতের জন্য যৌক্তিক সংখ্যক গাড়ির স্টিকার দেওয়া হবে। তবে মোটরসাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না। কোনো সাংবাদিকের জন্য গাড়ির স্টিকার দেওয়া হলে স্টিকারের ক্রমিক নম্বর রেজিস্টারে লিখে রাখতে হবে।

মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকদের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাংবাদিক পরিচয়পত্র, সাপোর্ট স্টাফ (মিডিয়া) পরিচয়পত্র এবং গাড়ির স্টিকার অন্যান্য নির্বাচনি মালামাল সংগ্রহের সময় নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখা হতে সংগ্রহ করতে হবে।

নির্বাচনি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের সময় সাংবাদিকদের বিষয়ে নির্দেশনাগুলো প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দিতে হবে। এছাড়া সাংবাদিকদের জন্য কার্ডের নমুনা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেটদের সরবরাহ করতে হবে। নির্দেশনাগুলো যেসব সাংবাদিকদের পরিচয়পত্র দেওয়া হবে তাদেরকেও জানাতে হবে।

নীতিমালায় সাংবাদিক বলতে ডিক্লারেশন প্রাপ্ত এবং নিয়মিত প্রকাশিত দৈনিক, সাপ্তাহিক, পাক্ষিক প্রভৃতি; অনুমোদিত টেলিভিশন চ্যানেল যা বাংলাদেশ থেকে প্রচারিত হয়; অনুমোদিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল; অনুমোদিত ইন্টারনেটভিত্তিক টেলিভিশন; ফ্রি-ল্যান্স সাংবাদিক (তথ্য অধিদপ্তরের সাংবাদিক পাসধারী), আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থায় (তথ্য অধিদপ্তর হতে অনুমতিপ্রাপ্ত) কর্মরত সাংবাদিক এবং বিদেশি সাংবাদিকদের (তথ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে অন্যান্য দেশ থেকে আগত সাংবাদিক) বোঝানো হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *