‘ভোট দিন, বাইক জিতুন’

‘ভোট দিন, বাইক জিতুন’

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারতেও বেজে উঠেছে নির্বাচনের দামামা। আর কদিন বাদেই সেখানে ভোট। শুরু হয়ে গেছে প্রচার-প্রচারণা। কিন্তু নির্বাচনে ভোটাররা ভোট দিতে যাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়। তাই ভোটারদের টানতে এক অভিনব কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে তেলেঙ্গানার সিদ্দিপেট জেলা নির্বাচন কমিশন। ‘ভোট দিন, বাইক জিতুন। পেতে পারেন স্কুটি বা স্মার্ট ফোনও!’ এমন স্লোগানে ভোটার ভোট দিতে উৎসাহ দিচ্ছে তারা।

নিউ ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের সূত্রে জানা যায়, ভারতে বিধানসভা নির্বাচনের বাকি আর মাত্র কয়েক দিন। আগামী ৭ ডিসেম্বরের এই নির্বাচন ঘিরে জোর প্রচারণা চলছে। নানা রকমের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের কাছে উপস্থিত হচ্ছেন প্রার্থীরা। পিছিয়ে নেই তেলেঙ্গানা রাজ্যের একটি জেলার নির্বাচন কমিশনও।

নির্বাচনে ভোটাররা ভোট দিতে যাবেন কিনা তা নিয়ে সংশয়। কিন্তু শতভাগ ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশন চাইছে। আর তাই ভোটারদের টানতে এক অভিনব কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে তেলেঙ্গানার সিদ্দিপেট জেলা নির্বাচন কমিশন। ‘ভোট দিন, বাইক জিতুন। পেতে পারেন স্কুটি বা স্মার্ট ফোনও!’ এমন স্লোগানে ভোটার ভোট দিতে উৎসাহ দিচ্ছে তারা। যদিও এই উপহার পাওয়ার জন্য কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা দলের প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে না। বরং ভোটকেন্দ্রে হাজির হয়ে ভোট দিলেই হবে। জেলার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের প্রতিটি বুথের ভোটাররাই এই সুযোগ পাবেন। ভোটদাতাদের নিয়ে একটি ‘ড্র’ করে বিজয়ীদের এই পুরস্কার দেয়া হবে।

জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভোটের দিন বুথের বাইরে কুপন রাখা হবে। ভোট দিয়ে বের হবার সময় একটি করে কুপন দেয়া হবে। কুপনের একটি অংশ কেটে জমা রাখা হবে। ভোট শেষ হলে ‘লাকি ড্র’ করা হবে। তারা বলছে, পুরুষ ও নারীদের জন্য আলাদা কুপন থাকবে। পুরুষদের মধ্যে একজন বিজয়ী পাবেন একটি মোটরসাইকেল। নারীদের মধ্যে একজন পাবেন একটি স্কুটি। এছাড়া দুই গ্রুপের পাঁচজন করে ভোটার পাবেন স্মার্টফোন।

উল্লেখ্য, তেলেঙ্গানা বিধানসভায় নিজের গ্রিপ আরও শক্ত করতে নির্ধারিত সময়ের কয়েক মাস আগে নির্বাচন আহ্বান করেন রাজ্যটির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও। ২০১৪ সালে ভারতের ২৯তম রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে তেলেঙ্গানা। রাজ্যটি আগে অন্ধ্রপ্রদেশের অংশ ছিল।

‘ভোট দিন, বাইক জিতুন। পেতে পারেন স্কুটি বা স্মার্ট ফোনও!’

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *