পাথেয় রিপোর্ট : জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে যে যুক্তফ্রন্ট গড়ে ওঠেছে তাতে যোগ দিযেছে বিএনপন্থীরা। গতকাল রাজধানীর মহানগর নাট্যমঞ্চে জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপির শীর্ষ কয়েকজন নেতা অংশ নেন।
ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ড. কামালকে উদ্দেশ্য করে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের জঘন্য সব অপরাধকর্মের রক্ষার ঢাল হিসেবে ড. কামাল হোসেন ব্যবহৃত হলেন। নিজের মুখোশটাও খুলে ফেললেন তিনি।
২৩ আগস্ট রোববার সকালে কুষ্টিয়া সার্কিট হাউসে স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) নেতা-কর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের কাছে ইনু এসব কথা বলেন।
জাসদের সভাপতি বলেন, ‘ড. কামাল হোসেন, বি. চৌধুরী বিএনপি-জামায়াতের দুষ্কর্ম রক্ষা এবং তাদের রাজনীতির মাঠে পুনর্বাসন করার প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। তাদের যে কর্মকাণ্ড এটা জাতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক ও পরিতাপের। বিএনপি-জামায়াতের সঙ্গে তাঁদের যে ঐক্য, সেটা গণতন্ত্র উদ্ধারের জন্য নয়, নির্বাচনের জন্যও নয়। এটা মূলত দণ্ডিত খালেদা জিয়াকে দম ফেলার সুযোগ করে দেওয়া এবং তাঁকে কারাগার থেকে বের করে এনে রাজনীতির মাঠে আবার হালাল করার জন্য।’
ইনু বলেন, ‘শেখ হাসিনার পদত্যাগের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে সংবিধানে শূন্যতা তৈরির একটি ফাঁদ ড. কামাল হোসেনেরা পেতেছেন। নির্দলীয় সরকারের দাবি, শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবিগুলো কার্যত বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে ডোবানোর একটা ফাঁদ। এই চোরাবালিতে যদি কেউ পা রাখে, তাহলে গণতন্ত্রও ডুববে, দেশও ডুববে।’
অন্যদিকে এ জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন, আ স ম আবদুর রব ও তাদের জোটের তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান ফিজার।
গণশিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কোনো মানুষ নাই এমন ১৫ জন মিলে জোট করতেছে। অনেকে এখন লোক খুঁজে বেড়াচ্ছে। আশা করতেছে, একবার মাস্টার নামবে, একবার যুবক নামবে, আরেকবার ছাত্র নামবে। নেমে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে। এরপর দেশ দখল করবে।’
শনিবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে উপজেলা-জেলা ও বিভাগীয় শিক্ষা কর্মকর্তাদের নিয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে উদ্বুদ্ধকরণ শীর্ষক এক কর্মশালায় এ সমালোচনা করেন মন্ত্রী।


