পাথেয় রিপোর্ট : পবিত্র কুরআন শরীফের আইন পরিবর্তনের দুঃসাহস দেখালে বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম। তিনি বলেন, পৈতৃক সম্পত্তি বন্টনে নারী-পুরুষের সমান ভাগ নিশ্চিতকরণের নামে পবিত্র কুরআন শরীফের আইনের পরিবর্তনের পায়ঁতারা করলে তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হবে না। শরিয়তের আইন পরিবর্তনের সাহস দেখালে তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
বুধবার (১ মে) সকাল ১১টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম পূর্ব চত্ত্বরে মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন ঢাকা মহানগর আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর বলেন, ইসলাম নারীদের সমান অধিকার নয়, অগ্রাধিকার দিয়েছে। নারীদের অধিকার দিতে চাইলে কুরআন বর্ণিত নীতি বাস্তবায়ন করুন। তিনি বলেন, রকার নাস্তিক-মুরতাদদের চক্রান্তে পা দিয়ে কুরআনের আইন পরিবর্তনের পায়তারা করছে। এধরণের সাহস দেখালে বিরানব্বই ভাগ মুসলমানের দেশে মুসলমানরা নিরবে বসে থাকবে না, বরং দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া দেয়া হবে।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন মাওলানা খলিলুর রহমান, মাওলানা গোলাম কিবরিয়া, মুফতী ছিদ্দিকুর রহমান, হাফেজ শাহাদত হুসাইন প্রধানিয়া, ইমাম হোসাইন ভুইয়া প্রমুখ। সমাবেশের পর একটি বিশাল র্যালী বায়তুল মোকাররম, পল্টন মোড় হয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে সমাপ্ত হয়।
মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৮ বছর পরও শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মজুরি পাচ্ছে না। শ্রমিকরা বার বার শোষণ বঞ্চনার শিকার হচ্ছে। তিনি বলেন, ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়ন হলে শ্রমিকরা তাদের শ্রমির মর্যাদা পাবে।
সভাপতির বক্তব্যে মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, শ্রমিক মালিক এক হয়ে কাজ করলে উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং পরস্পর ভালবাসা সৃষ্টি হবে। তখন শ্রমিকরা আন্তরিত হয়ে কাজ করবে। তিনি বলেন, কথায় কথায় শ্রমিক ছাঁটাই শ্রমিকের ওপর কঠিন জুলুম। তাই যৌক্তিক কারণ ও ছাঁটাইয়ের শর্ত পূরণ ছাড়া শ্রমিক ছাঁটাই করা যাবে না


