যুদ্ধাপরাধীরা করোনার চেয়েও মারাত্মক
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : যুদ্ধাপরাধীরা করোনা ভাইরাসের চেয়েও ভয়ঙ্কর বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর সভাপতি মাওলানা দেলোওয়ার হোসাইন সাইফী ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন।
তারা বলেন, করোনা ভাইরাস একটি ব্যাধি। এটি শারীরিকভাবে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কোনো না কোনোভাবে এই ব্যাধি থেকে মানুষ সেরে উঠবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহর মেহেরবানীতে অনেকে সুস্থও হয়েছেন। কিন্তু যুদ্ধাপরাধ এমন এক ব্যাধি, যা একটি জাতিকে ধ্বংস করে দেয়। মুক্তিযুদ্ধের সময়ে এসব যুদ্ধাপরাধী সাধারণ মানুষের উপর নির্মম যে নির্যাতন করেছে, তা করোনা ভাইরাসের চেয়েও মারাত্মক। এখনও স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও যুদ্ধাপরাধী চিন্তা বিলুপ্ত হয়নি। পাক হানাদারদের দোষর এখনো দেশের মানচিত্র চিবিয়ে খেতে তৎপর।
খালেদার অপরাধ আর সাঈদীর অপরাধ এক নয় দাবি করে তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার অপরাধ ছিল চুরি আর সাঈদীর অপরাধী হলো যুদ্ধাপরাধ। খালেদার অপরাধের সঙ্গে সাঈদীকে মেলানো কিছুতেই ঠিক নয়। করোনার কারণে একজন যুদ্ধাপরাধীকে মুক্তি দেয়ার প্রশ্নই আসে না। দেশের আইনে সাঈদী একজন যুদ্ধাপরাধী। তার আদর্শ ছিলো একটা জাতিকে ধ্বংস ও নির্মূল করে দেয়া। যারা সাঈদীর মুক্তি চেয়ে মানবতা দেখাচ্ছেন তাদের সামনে একাত্তর নেই। জামাত-রাজাকার-আল শামসের নিষ্ঠুর ছুরির নিচে পড়তে হয়েছে এদেশের লাখো মানুষকে। যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চাওয়া মানে যুদ্ধাপরাধকেই উস্কে দেয়ার নামান্তর।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর সভাপতি মাওলানা দেলোওয়ার হোসাইন সাইফী ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, অপরাধীর বিচার হতে হবে। করোনায় করুণা পেতে পারে না যুদ্ধাপরাধীরা। রাষ্ট্র ষড়যন্ত্রের সঙ্গি জড়িত এসব যুদ্ধাপরাধীর বিচার হলেই দেশ ও দেশের মানুষের জন্য মঙ্গল হবে। আমি মনে করি, যারা যুদ্ধাপরাধীর বিচারের অন্তরায় তাদেরও চিহ্নিত করার সময় এসে গেছে। জামাত-শিবিরের তল্পিবাহক নেতারা যুদ্ধাপরাধীর মুক্তি চেয়ে নিজেদের মুখোস উন্মোচন করছে বলেও মন্তব্য করেন জমিয়ত নেতারা।
আরো পড়ুনঃ
কানাইঘাটে ইসলাহুল মুসলিমীনের ত্রাণ বিতরণ
করোনার এই সময়ে জামায়াত ও তার দোসরদের থেকে দেশবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান


