নিজস্ব প্রতিবেদক ● প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পুরান ঢাকাসহ রাজধানীর ৯৩টি ঐতিহাসিক স্থাপনা বিষয়ে পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন করা হয়েছে। গতকাল বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আলতাফ হোসেন পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর বর্তমান অবস্থাসহ সার্বিক দিক তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংশ্লিষ্টদের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ, সংস্কার ও কিছু স্থাপনা ভেঙে নতুন করে করাসহ প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন।
এ সময় অন্যন্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব সুরাইয়া বেগম, সংস্কৃতি সচিব ইব্রাহীম হোসেন খান ও গণপূর্ত সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার, রাজউক চেয়ারম্যান এম বজলুল করিম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। ভাষা আন্দোলন থেকে স্বাধিকার। প্রতিটি ক্ষেত্রেই আওয়ামী লীগের ভূমিকা ছিল মুখ্য। সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে এ দলটি ক্ষমতায় থেকেও মানুষের কল্যাণেই কাজ করেছে বলে দাবি দলটির নেতাদের। উন্নয়ন অগ্রগতির যে যাত্রা শুরু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তারই স্বপ্ন পূরণে কাজ করে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বাধীনতা পরবর্তী যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে মাত্র সাড়ে তিন বছরে মাথা উঁচু করে দাঁড় করিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
দেশ পরিচালনায় যা প্রয়োজন তার সবই করেছিলেন এই স্বল্প সময়ে। অথচ উন্নয়নের এ ধারায় পথ চলতে পারেনি বাংলাদেশ। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এইচ টি ইমাম বললেন, উন্নয়নের এ ধারা ধরে রাখতে আমাদের দেশের প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু নতুন নতুন মন্ত্রণালয় গঠন করতে হবে এবং কর্মচারীদের বেতনও বাড়াতে হবে।
দীর্ঘ সময় পরে উন্নয়নের মন্ত্র নিয়ে ক্ষমতায় আসে বঙ্গবন্ধুর উত্তরসূরি শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ। ৯৬ থেকে ২০০১ এ সময়ে দেশের উন্নয়নে ইশতেহার অনুযায়ী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে দলটি। পরবর্তীতে ২০০৯ ও ২০১৪ দুই মেয়াদে ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থেকে উন্নয়নের সব সূচকে দেশকে এগিয়ে নেয় দলটি। দীর্ঘ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ বেয়ে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ জনগণের জন্যই কাজ করে। তাই দেশ এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগ নেতারা।


