রেঙ্গায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জুমআ, মুসল্লিদের ঢল

রেঙ্গায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জুমআ, মুসল্লিদের ঢল

রেঙ্গায় স্মরণকালের সর্ববৃহৎ জুমআ, মুসল্লিদের ঢল

ইলিয়াস মশহুদ : সিলেটের শীর্ষ ইসলামি বিদ্যাপীঠ ঐতিহ্যবাহী জামেয়া তাওয়াক্কুলিয়া রেঙ্গার শতবার্ষিকী ও দস্তারবন্দী মহাসম্মেলনের তৃতীয় ও শেষ দিন ২৭ ডিসেম্বর ২০১৯ শুক্রবার জুমআর নামাজের মুসল্লিদের ঢল নামে।

সম্মেলনের বিশাল মাঠে মুসল্লি সংকুলান না হওয়ায় মাদরাসার মাঠ, মসজিদ ও পেন্ডেলের আশপাশের বিশাল এলাকাজুড়ে মুসল্লিরা জুমআর নামাজের জন্য অংশগ্রহণ করেন।

মাওলানা ফখরুল ইসলাম মোগলাবাজারীর সঞ্চালনায় জুমআর ইমামিত করেন আওলাদে রাসুল আল্লামা সায়্যিদ আসজাদ মাদানী।

জুমআর খুতবা ও নামাজ পরবর্তীতে আল্লামা আসজাদ মাদানী দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহের জন্য শান্তি, সমৃদ্ধি ও নিরাপত্তার জন্য বিশেষ মোনাজাত করেন।

সকাল ১১টায় কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে ৩য় দিনের শুরু হওয়া সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা মুহিউল ইসলাম বুরহান, মাওলানা নযীর আহমদ ঝিংগাবাড়ি, শায়খ আব্দুশ শহীদ গলমুকাপনী, শায়খুল হাদিস মাওলানা মুকাদ্দাস আলী, শায়খুল হাদিস মাহমুদুল হাসান, মাওলানা আব্দুল হাই চৌধুরী।

জুমআ পূর্বে আলোচনা করেন, মাওলানা সাজিদুর রহমান বি-বাড়িয়া, মাওলানা আরশাদ রহমানী, মাওলানা মুফতী মিযানুর রহমান সাঈদ, মাওলানা সালাউদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা শফিকুর রহমান, মুফতি শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

মাওলানা সাজিদুর রহমান বলেন, কওমি মাদরাসা হচ্ছে দ্বীন রক্ষার দূর্গ। কওমি মাদরাসা আদর্শ মানুষ তৈরি করে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, খুন, ধর্ষণ এসব কওমি মাদরাসা শিক্ষিতরা কখনও করে না।

সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা সালেহ মুহাম্মদ জাকারিয়া, মাওলানা হাবীবে রব্বানী চৌধুরী তালবাড়ি, মাওলানা আব্দুল হান্নান ধনপুরী প্রমুখ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *