শবে কদর হাজার মাস থেকে উত্তম

শবে কদর হাজার মাস থেকে উত্তম

শবে কদর হাজার মাস থেকে উত্তম

মাওলানা আমিনুল ইসলাম : পবিত্র কুরআনের ৩০ নম্বর পারার সুরা কদরের মাঝে ইরশাদ হয়েছে, ” লাইলাতুল কদরে খায়রুম মিন আলফি শাহরে” অর্থ ঃ লাইলাতুল কদর হাজার মাস থেকে উত্তম( সুরা কদর-৩)

এক কদরের রাতের ইবাদত হাজার মাসের ইবাদত থেকে উত্তম। হাজার মাস ভরে ইবাদত করলে যে সওয়াব পাওয়া যাবে, শুধু এক লাইলাতুল কদরের ইবাদত তার থেকেও বেশী মর্যাদা রাখে।

আমাদের জন্য অনেক বড় নেয়ামত এই কদরের রাত্রি। বছরে কিন্তু একবারই আসে। আর সেটা রমজানের শেষ দশকের বেজোড় রাত্রিতে হয়ে থাকে।
আজ ২৭ এ রমজানের বেজোড় রাত। আজ সেটা হতে পারে। বহু ওলামায়ে কেরামের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে তারা বলেছেন, ২৭ রমজানের বেজোড় রাত শবে কদর হওয়ার সম্ভবনা।

এখন শুধু আমাদের হিম্মত চাই। এই শবে কদর হাজার মাসের ইবাদত থেকে উত্তম, সেটা পালনের জন্য আমাদের হিম্মত থাকতে হবে। ইবাদত বন্দেগীতে সময় পার করা চাই।

হাজার মাসের ইবাদত থেকে যে রাত উত্তম। সেটাতো অনেক গুরুত্বের সাথে নেওয়া চাই। একদম সব ধরনের গোনাহ থেকে তওবা করে মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনাই কাম্য।

অনেকের মধ্যে হুঁশ ফেরেনা। এত বড় মোবারক রাত্রি পাওয়ার পরেও গাফলতি করেন। ইবাদতে অলসতা করেন।

কিন্তু মনে খতে হবে, একবার এই রাত্রি হারালে, আগামী বছর পাওয়ার কি কোন গ্যারান্টি আছে? কোন গ্যারান্টি নেই বন্ধু। এজন্য এই শবে কদরকে মুল্য দিতে হবে। একদম খাঁটি দিলে তাওবা করে, আল্লাহর দরবারে লুটায়ে পড়তে হবে।

কেননা, এই মহা মুল্যাবান রাত ক্ষমা এবং তাওবা কবুলের রাত। আল্লাহ তায়ালা গোনাহগার বান্দার তওবাকে কবুল করেন। তার গোনাহ মাফ করে দেন।

এমনিতে রমজানের শেষ দশক হলো মুক্তির দশক। এই দশকে অসংখ্য বান্দাকে ক্ষমা করেন। আর এই দশকে পড়েছে শবে কদর। এটা তো আরো বেশী বেশী মানুষকে আল্লাহ ক্ষমা করবেন।

তাই ভাই, বন্ধু, আসুন! আজকের এই রাতকে মুল্যায়ন করি। হতে পারে আজ শবে কদর। যদি আজ শবে কদর হয়ে যায়, তাহলে তো আমরা ভাগ্যবান।
হে দয়াময় আল্লাহ! তুমি আমাদের ক্ষমা কর। আমিন।

লেখক : শিক্ষা ও সমাজ বিশ্লেষক

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *