শিশু হত্যাকারী কালো দেশের তালিকায় সৌদি ও ইসরাইল
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : সৌদির মতো দেশও এখন বিশ্বের শিশু হত্যাকারী দেশের তালিকায়। কালো তালিকাভুক্ত দেশের তালিকায়। মুসলিম বিশ্বের জন্য এটি অনেক বড় লজ্জার হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন বিশ্বনেতারা। ইসরাইল যেহেতু ফিলিস্তিনের একটি বিষফোঁড়া; তাদের অত্যাচার সম্পর্কে সবাই জ্ঞাত। তবে সেখানে সৌদির এই অবস্থানকে নিতে পারছে না মুসলিম বিশ্ব। শিশুর হত্যার কালো তালিকা থেকে মুছল না সৌদি আরব ও ইসরাইলের নাম।
শিশু হত্যাকারী দেশ হিসাবে তৃতীয় বছরে শীর্ষে নাম থাকল দুটি দেশেরই। হুতিদের সঙ্গে একটানা যুদ্ধে ইয়েমেনের পরিস্থিতি আশংকাজনক অবস্থায় পৌঁছেছে। চরম দারিদ্রতার সঙ্গে জুঝতে ইয়েমেন। কিন্তু তা সত্বেও সৌদি আরব ও তাদের মিত্রশক্তি অব্যবত রেখেছে।
যুদ্ধের জন্য দেশটির ঘুরে দাঁড়াবার সম্ভবণা প্রায় নেই বললেই চলে। টানা এমন যুদ্ধ চালিয়ে দেশটির শিশুদের অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দেওয়ার জন্য শিশুহত্যাকারী দেশ হিসাবে তৃতীয়বারও তালিকার শীর্ষে উঠে এল সৌদির নাম। তবে এই তালিকা থেকে বাদ যায়নি ইসরাইলের নামও। অবৈধ আগ্রাসনের নেশায় ফিলিস্তিনি শিশুরা যেভাবে ইসরাইলি সেনাদের নিশানা হচ্ছে তার নিরীখেই জায়েনবাদী এই দেশটির নাম তৃতীয়বার শিশু হত্যাকারী দেশ হিসাবে উঠে এসছে।
বিষয়টি নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুটেরেস একটি রিপোর্ট প্রকাশিত করে বলেছেন, ২০১৮ সালে ইয়েমেনে, সৌদিজোটের আগ্রাসী হামলায় ৭২৯ শিশু হতহাত হয়েছে। যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষ ও অপুষ্টিতে ভুগে ইয়েমেনে প্রতি বছর শত শত শিশু মৃত্যু হচ্ছে।গত পাঁচ বছরে যুদ্ধের কারণে ৮০ হাজার শিশুর মৃত্যু হয়েছে।এদিকে শুক্রবার রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালে ফিলিস্তিনি ৫৯ ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে ইসরাইল।
এদের মধ্যে ৫৬জন শিশু সেনাবাহিনীর হাতে মারা গিয়েছে বলে প্রমাণ পেয়েছে তারা। ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর বাড়তি সেনাশক্তির ব্যবহার ঠেকাতে কার্যকর ও প্রতিরোধীমূলক পদক্ষেপ নিতে ইসরাইলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সংস্থার মহাসচিব গুটেরেস।


