সময়ের আগেই জনসমাগম; শুরু হয়ে গেল ইসলাহী ইজতেমা

সময়ের আগেই জনসমাগম; শুরু হয়ে গেল ইসলাহী ইজতেমা

সময়ের আগেই জনসমাগম; শুরু হয়ে গেল ইসলাহী ইজতেমা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : কয়েক হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লির উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বাদ আসর ইসলাহী বয়ানের মধ্য দিয়ে সময়ের আগেই শুরু হয়ে গেছে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহের গ্র্যান্ড ইমাম, বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ও বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশ–এর চেয়ারম্যান, আওলাদে রাসূল হজরত আসাদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের আহ্বানে আয়োজিত কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের ইসলাহী ইজতেমা।

ইজতেমা বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য ও কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের বেলঙ্কা জামিয়াতুল ইসলাহ মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা সাঈদ নিজামী পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম–কে জানান, ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার থেকে আমাদের ইসলাহী ইজতেমা শুরু হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা ইজতেমা ময়দানে জড়ো হতে শুরু করেছেন। এমনকি আওলাদে রাসূল হজরত আসাদ মাদানি (রহ.)-এর খলিফা আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ (দা.বা.) ও উপস্থিতি হয়েছেন। এজন্য ইজতেমা বাস্তবায়ন কমিটির পরামর্শ ও সকলের সিদ্ধান্তক্রমে বৃহস্পতিবার বাদ আসর থেকে ইজতেমার অনুষ্ঠানিকতা ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে এবারের ইসলাহী ইজতেমা আন্তর্জাতিক–আলমি ইজতেমায় রূপ নিচ্ছে বলে জানিয়েছে ইজতেমা কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার পবিত্র জুমার বয়ান ও নামাজ পড়াবেন ভারতের জমিয়তে উলামা হিন্দের জাদরেল নেতা, ভারতের প্রাচীন মাদ্রাসা ‘আমরুহামাদ্রাসার’ সদরুল মুদাররিস ও মুহাদ্দিস মাওলানা কারী মাওলানা আফ্ফান মনসুরপুরী।

ইসলাহী ইজতেমার আখেরী মোনাজাত হবে ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ রোববার সকালে।

এছাড়াও এবারের ইসলাহী ইজতেমায় লন্ডনের মেহমান কাসেম নানুতাবী রহ.-এর বংশধর ইকরা টিভি ও আল খায়েরফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা ইমাম কাসেম রশিদ আহম্মদ, সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী রহ.-এর সাহেবজাদা মাওলানা সাইয়্যিদ মওদুদ মাদানীও উপস্থিত থাকবেন। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্মান খাঁন কামালও আখেরী মোনাজাতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, প্রতিবছরই শীতের সৃজনে কিশোরগঞ্জের তাড়াইলের বেলঙ্কা জামিয়াতুল ইসলাহ ময়দানে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের আহ্বানে মানুষের আধ্যাত্মিক পরিবর্তনের প্রত্যাশায় ভাটির মানুষের দ্বীনী উন্নয়নে এই ইসলাহী ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া পড়েছে এই ইজতেমার। এখানে বিশেষ ব্যবস্থায় নারীদের জন্যও পৃথক ভাবে আলোচনা শোনার সুযোগ আছে। এছাড়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক, যুবক–তরুণদের জন্যও আলাদা আলাদা বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিদিনই বাইয়াতেরও সুযোগ থাকে। প্রতিবছরই কেউ না কেউ হযরতের খেলাফত লাভেও ধন্য হন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *